| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে যুবলীগের সাবেক নেতা সম্রাটের কারামুক্তির ভুয়া দাবি প্রচার
২০ মে ২০২৬
সম্প্রতি, ‘ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে যুবলীগের সাবেক নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন দাবি করে একটি তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। এ পোস্টে্র কমেন্টে ‘ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাট’ নামের একটি পেজ থেকে পোস্ট করা ভিডিও লিঙ্ক দিয়ে দাবি করা হয়েছে, সম্রাট জামিন পেয়ে আদালত চত্বর থেকে বের হচ্ছেন।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের কারামুক্তির তথ্যটি ভুয়া। পোস্টের কমেন্টে দেওয়া এসম্পর্কিত ভিডিওটি ২০২৩ সালের। ভিডিওটি যে অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে সেটিও সম্রাটের নামে পরিচালিত ভুয়া অ্যাকাউন্ট।
গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে সম্রাটের জামিন কিংবা কারামুক্তির দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। বরং এ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সম্রাটকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারিতে ২০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। এর আগে গত বছরের ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত বাসসের অপর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ঢাকার একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গত বছরের ২৮ অক্টোবর সম্রাটকে অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
পরবর্তীতে, আলোচিত পোস্টের মন্তব্যের ঘরে পাওয়া লিঙ্কে গিয়ে ভিডিওটি যাচাই করে বাংলাফ্যাক্ট। একই ভিডিও ‘Suo Moto WoN’ নামের এটি ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৩ সালের ৯ এপ্রিল প্রচার হতে দেখা যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে বলা হয়,‘নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আদালতে যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট’। অর্থাৎ, ভিডিওটি যে সম্প্রতি ধারণকৃত নয় তা নিশ্চিত।
ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাট নামের পেজটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, পেজটিতে বর্তমানে ১ হাজারের অধিক ফলোয়ার রয়েছে। এর ট্রান্সপারেন্সি সেকশন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, পেজটি ২০২৫ সালের ১৬ মে খোলা হয়েছে। পেজটি খোলার সময় নাম ছিল ‘ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাট’। সেদিনই নাম পরিবর্তন করে ‘তিলোত্তমা শিকদার' রাখা হয়। পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে আবারও ‘ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাট’ রাখা হয়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে স্পষ্ট যে, এটি আদতে সম্রাটের নামে পরিচালিত ভুয়া পেজ।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
যুবলীগ নেতাকে নির্যাতনের দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের ভিন্ন ঘটনার
নারী হেনস্তার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
৯ বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ময়মনসিংহের নয়, ভারতের
অভিযুক্ত চোরের বাড়িতে হামলার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে অপপ্রচার
কারিনা কায়সারের কবর খোঁড়ার সময় সাপ বেরোনোর দাবিটি অসত্য,
ভিডিওটি পুরোনো
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে যুবলীগের সাবেক নেতা সম্রাটের কারামুক্তির ভুয়া দাবি প্রচার
২০ মে ২০২৬
সম্প্রতি, ‘ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে যুবলীগের সাবেক নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন দাবি করে একটি তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। এ পোস্টে্র কমেন্টে ‘ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাট’ নামের একটি পেজ থেকে পোস্ট করা ভিডিও লিঙ্ক দিয়ে দাবি করা হয়েছে, সম্রাট জামিন পেয়ে আদালত চত্বর থেকে বের হচ্ছেন।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের কারামুক্তির তথ্যটি ভুয়া। পোস্টের কমেন্টে দেওয়া এসম্পর্কিত ভিডিওটি ২০২৩ সালের। ভিডিওটি যে অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে সেটিও সম্রাটের নামে পরিচালিত ভুয়া অ্যাকাউন্ট।
গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে সম্রাটের জামিন কিংবা কারামুক্তির দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। বরং এ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সম্রাটকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারিতে ২০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। এর আগে গত বছরের ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত বাসসের অপর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ঢাকার একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গত বছরের ২৮ অক্টোবর সম্রাটকে অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
পরবর্তীতে, আলোচিত পোস্টের মন্তব্যের ঘরে পাওয়া লিঙ্কে গিয়ে ভিডিওটি যাচাই করে বাংলাফ্যাক্ট। একই ভিডিও ‘Suo Moto WoN’ নামের এটি ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৩ সালের ৯ এপ্রিল প্রচার হতে দেখা যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে বলা হয়,‘নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আদালতে যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট’। অর্থাৎ, ভিডিওটি যে সম্প্রতি ধারণকৃত নয় তা নিশ্চিত।
ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাট নামের পেজটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, পেজটিতে বর্তমানে ১ হাজারের অধিক ফলোয়ার রয়েছে। এর ট্রান্সপারেন্সি সেকশন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, পেজটি ২০২৫ সালের ১৬ মে খোলা হয়েছে। পেজটি খোলার সময় নাম ছিল ‘ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাট’। সেদিনই নাম পরিবর্তন করে ‘তিলোত্তমা শিকদার' রাখা হয়। পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে আবারও ‘ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাট’ রাখা হয়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে স্পষ্ট যে, এটি আদতে সম্রাটের নামে পরিচালিত ভুয়া পেজ।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।