| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

১০ মাসে ২০ বিলিয়ন ডলার পাচারের দাবি সত্য নয়

১ জুন ২০২৫


১০ মাসে ২০ বিলিয়ন ডলার পাচারের দাবি সত্য নয়
বিভ্রান্তিকর

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গত ১০ মাসে দেশ থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচার হয়েছে- এমন দাবিতে কিছু পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, মূলধারার দুটি জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের এ সম্পর্কিত সংবাদের বিভ্রান্তিকর শিরোনামের ফলে দুটি ভিন্ন তথ্য একত্রিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই দাবি প্রচারিত হয়েছে।

মূলধারার একাধিক গণমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৭ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের শাসনামলে মোট ১৮-২০ বিলিয়ন ডলার পাচার হওয়ার বিষয়টি জানান। ওই অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে সাড়ে ১০ মাসে ২৭ হাজারেরও বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে।

জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনে গত ২৮ মে '১০ মাসে ২৭ হাজার সন্দেহজনক লেনদেন, পাচার ২০ বিলিয়ন ডলার’ শীর্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এই শিরোনাম দেখে মনে হতে পারে, গত ১০ মাসেই ২০ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। অথচ প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই অর্থ পাচারের ঘটনা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে, দীর্ঘ সময় ধরে। গণমাধ্যম দুটি তাদের ফেসবুক পেজেও একই শিরোনামে ফটোকার্ড প্রকাশ করে। তবে বাংলাদেশ প্রতিদিন ও কালের কণ্ঠ পরবর্তীতে উক্ত সংবাদের শিরোনাম পরিবর্তন করেছে।

অর্থাৎ, গণমাধ্যম দুটি এ সম্পর্কিত সংবাদের বিস্তারিত অংশে যদিও সঠিক তথ্য উল্লেখ করেছে, তবে তাদের বিভ্রান্তিকর শিরোনামের ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত দাবিটি ছড়িয়ে পড়ে।



Topics:



রমনা পার্কে নিরাপত্তা মহড়ার দৃশ্যকে ‘আতঙ্কবাদীর হামলা’ দাবি করে অপপ্রচার
মিথ্যা
১৩ এপ্রিল ২০২৬

রমনা পার্কে নিরাপত্তা মহড়ার দৃশ্যকে ‘আতঙ্কবাদীর হামলা’ দাবি করে অপপ্রচার

উখিয়ায় ৫ বছরের শিশুকে আটক করা হয়নি, আত্মীয়-স্বজন হেফাজতে না নেওয়ায় মায়ের সঙ্গে আদালতে নেওয়া হয়
মিথ্যা
১৩ এপ্রিল ২০২৬

উখিয়ায় ৫ বছরের শিশুকে আটক করা হয়নি, আত্মীয়-স্বজন হেফাজতে না নেওয়ায় মায়ের সঙ্গে আদালতে নেওয়া হয়

নরসিংদীতে মাদ্রাসা ছাত্র পিটুনির দৃশ্য দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
বিভ্রান্তিকর
৫ এপ্রিল ২০২৬

নরসিংদীতে মাদ্রাসা ছাত্র পিটুনির দৃশ্য দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের

ঘটনাস্থল ‘ভারত’ উল্লেখ না করে গণমাধ্যমের শিরোনাম, বিদেশি ঘটনাকে পাঠক মনে করছে বাংলাদেশের
বিভ্রান্তিকর
৪ এপ্রিল ২০২৬

ঘটনাস্থল ‘ভারত’ উল্লেখ না করে গণমাধ্যমের শিরোনাম, বিদেশি ঘটনাকে পাঠক মনে করছে বাংলাদেশের

ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার
মিথ্যা
১ এপ্রিল ২০২৬

ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



১০ মাসে ২০ বিলিয়ন ডলার পাচারের দাবি সত্য নয়

ফ্যাক্ট চেক

১০ মাসে ২০ বিলিয়ন ডলার পাচারের দাবি সত্য নয়

১ জুন ২০২৫

১০ মাসে ২০ বিলিয়ন ডলার পাচারের দাবি সত্য নয়

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গত ১০ মাসে দেশ থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচার হয়েছে- এমন দাবিতে কিছু পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, মূলধারার দুটি জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের এ সম্পর্কিত সংবাদের বিভ্রান্তিকর শিরোনামের ফলে দুটি ভিন্ন তথ্য একত্রিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই দাবি প্রচারিত হয়েছে।

মূলধারার একাধিক গণমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৭ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের শাসনামলে মোট ১৮-২০ বিলিয়ন ডলার পাচার হওয়ার বিষয়টি জানান। ওই অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে সাড়ে ১০ মাসে ২৭ হাজারেরও বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে।

জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনে গত ২৮ মে '১০ মাসে ২৭ হাজার সন্দেহজনক লেনদেন, পাচার ২০ বিলিয়ন ডলার’ শীর্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এই শিরোনাম দেখে মনে হতে পারে, গত ১০ মাসেই ২০ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। অথচ প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই অর্থ পাচারের ঘটনা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে, দীর্ঘ সময় ধরে। গণমাধ্যম দুটি তাদের ফেসবুক পেজেও একই শিরোনামে ফটোকার্ড প্রকাশ করে। তবে বাংলাদেশ প্রতিদিন ও কালের কণ্ঠ পরবর্তীতে উক্ত সংবাদের শিরোনাম পরিবর্তন করেছে।

অর্থাৎ, গণমাধ্যম দুটি এ সম্পর্কিত সংবাদের বিস্তারিত অংশে যদিও সঠিক তথ্য উল্লেখ করেছে, তবে তাদের বিভ্রান্তিকর শিরোনামের ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত দাবিটি ছড়িয়ে পড়ে।