| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়

নেপালের ভিডিওকে বাংলাদেশে হিন্দু ছেলেকে হত্যার ঘটনা বলে প্রচার

২৮ অক্টোবর ২০২৫


নেপালের ভিডিওকে বাংলাদেশে হিন্দু ছেলেকে হত্যার ঘটনা বলে প্রচার
মিথ্যা

ইসকন জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে এক হিন্দু ছেলেকে তৌহিদী জনতা পিটিয়ে হত্যা করেছে - এমন দাবি করে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার হতে দেখেছে বাংলাফ্যাক্ট।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, নেপালের। এটি আসলে নেপালে গত সেপ্টেম্বরে সংঘটিত জেন-জি আন্দোলনের ভিডিও।


রিভার্স ইমেজ সার্চ করে ‘Gen Z Nepal’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ৯ সেপ্টেম্বর ‘हिजो गोलि हान्न आदेश दिने DSP को हालत’ ক্যাপশনে ভিডিওটির একটি দীর্ঘতম সংস্করণ খুঁজে পাওয়া যায়।


ক্যাপশেনে দেওয়া তথ্যে ভোক্তভোগী ব্যক্তিকে ডিএসপি (ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্যাপশন থেকে এটাও জানা যায় যে, তিনি একদিন আগে (পোস্ট অনুযায়ী ৮ তারিখ) বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর আদেশ দিয়েছিলেন।


ভারতের ‘ABP LIVE’ -এর ইউটিউব চ্যানেলে Nepal Protest: “नेपाल में प्रदर्शनकारी उग्र, DSP को लगी गोली, हालात तनावपूर्ण!' শিরোনামের একটি সংবাদ পাওয়া যায়। সেখান থেকে জানা যায়, মাটিতে অচেতন অবস্থায় যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে তিনি একজন ডিএসপি (DSP), যিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর আদেশ দিয়েছিলেন। এবং এটি বিক্ষোভকারী কর্তৃক ডিএসপির ওপর সহিংসতার ভিডিও।


তবে, আমাদের অনুসন্ধানে নেপালের মূলধারার গণমাধ্যমে উক্ত ভিডিওর বিষয়ে কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। 


নেপালে জেন-জি আন্দোলনের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (,,) একই ঘটনার ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়।


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।





Topics:



নারায়ণগঞ্জে হিন্দু ব্যক্তির ওপর এসিড হামলা দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
মিথ্যা
১৩ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে হিন্দু ব্যক্তির ওপর এসিড হামলা দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের

অভিযুক্ত চোরের বাড়িতে স্থানীয়দের হামলার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে প্রচার
মিথ্যা
৩০ মার্চ ২০২৬

অভিযুক্ত চোরের বাড়িতে স্থানীয়দের হামলার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে প্রচার

বিয়ে বাড়িতে চাঁদাবাজি্র ঘটনাকে ‘জিজিয়া কর’ হিসেবে প্রচার ভারতীয় গণমাধ্যমে
বিভ্রান্তিকর
২ মার্চ ২০২৬

বিয়ে বাড়িতে চাঁদাবাজি্র ঘটনাকে ‘জিজিয়া কর’ হিসেবে প্রচার ভারতীয় গণমাধ্যমে

গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার
বিভ্রান্তিকর
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার

গয়েশ্বর রায়কে একমাত্র হিন্দু সংসদ সদস্য বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার
বিভ্রান্তিকর
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গয়েশ্বর রায়কে একমাত্র হিন্দু সংসদ সদস্য বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



নেপালের ভিডিওকে বাংলাদেশে হিন্দু ছেলেকে হত্যার ঘটনা বলে প্রচার

ফ্যাক্ট চেক

নেপালের ভিডিওকে বাংলাদেশে হিন্দু ছেলেকে হত্যার ঘটনা বলে প্রচার

২৮ অক্টোবর ২০২৫

নেপালের ভিডিওকে বাংলাদেশে হিন্দু ছেলেকে হত্যার ঘটনা বলে প্রচার

ইসকন জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে এক হিন্দু ছেলেকে তৌহিদী জনতা পিটিয়ে হত্যা করেছে - এমন দাবি করে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার হতে দেখেছে বাংলাফ্যাক্ট।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, নেপালের। এটি আসলে নেপালে গত সেপ্টেম্বরে সংঘটিত জেন-জি আন্দোলনের ভিডিও।


রিভার্স ইমেজ সার্চ করে ‘Gen Z Nepal’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ৯ সেপ্টেম্বর ‘हिजो गोलि हान्न आदेश दिने DSP को हालत’ ক্যাপশনে ভিডিওটির একটি দীর্ঘতম সংস্করণ খুঁজে পাওয়া যায়।


ক্যাপশেনে দেওয়া তথ্যে ভোক্তভোগী ব্যক্তিকে ডিএসপি (ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্যাপশন থেকে এটাও জানা যায় যে, তিনি একদিন আগে (পোস্ট অনুযায়ী ৮ তারিখ) বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর আদেশ দিয়েছিলেন।


ভারতের ‘ABP LIVE’ -এর ইউটিউব চ্যানেলে Nepal Protest: “नेपाल में प्रदर्शनकारी उग्र, DSP को लगी गोली, हालात तनावपूर्ण!' শিরোনামের একটি সংবাদ পাওয়া যায়। সেখান থেকে জানা যায়, মাটিতে অচেতন অবস্থায় যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে তিনি একজন ডিএসপি (DSP), যিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর আদেশ দিয়েছিলেন। এবং এটি বিক্ষোভকারী কর্তৃক ডিএসপির ওপর সহিংসতার ভিডিও।


তবে, আমাদের অনুসন্ধানে নেপালের মূলধারার গণমাধ্যমে উক্ত ভিডিওর বিষয়ে কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। 


নেপালে জেন-জি আন্দোলনের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (,,) একই ঘটনার ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়।


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।