| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়

পাকিস্তানে মন্দির ভাঙার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদশের বলে প্রচার

১০ ডিসেম্বর ২০২৫


পাকিস্তানে মন্দির ভাঙার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদশের বলে প্রচার
বিভ্রান্তিকর

সম্প্রতি ভারত থেকে ব্যবহৃত এক্স অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ভাঙার দৃশ্য। 


তবে, যাচাইয়ে দেখা যায়, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ২০২১ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রহিম ইয়ার খান জেলার ভোং শহরে একটি মন্দির ভাঙার দৃশ্য। 


ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করে পাকিস্তানের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ‘Dawn’ এর ওয়েবসাইটে ২০২১ সালের ৫ আগস্ট প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবিতে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে উল্লেখিত দৃশ্যটি ভিন্ন দিক থেকে ধারণ করা। তবে ছড়িয়ে পড়া মানুষের উপস্থিতি, তাদের পোশাক, ভবনের কাঠামো, আসবাব- এসবের মিল রয়েছে।


প্রতিবেদন থেকে জানা যায়,  সেই বছরের ৪ আগস্টে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রহিম ইয়ার খান জেলার ভোং শহরে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় এক হিন্দু বালক প্রস্রাব করার অভিযোগে শত শত মানুষ একটি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করে।


পাকিস্তানের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান জিওটিভির ওয়েবসাইটে এবং ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইটেও সেসময় একই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। 



Source: TOI


অর্থাৎ, ২০২১ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রহিম ইয়ার খান জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ভাঙার দৃশ্যকে বাংলাদেশের ঘটনা দাবি করে ইন্টারনেটে ছড়ানো হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর। 


তথ্যসূত্র

  • দ্য ডন

  • জিও টিভি

  • টাইমস অব ইন্ডিয়া




Topics:

Bangla Fact banglafact

গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার
বিভ্রান্তিকর
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার

গয়েশ্বর রায়কে একমাত্র হিন্দু সংসদ সদস্য বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার
বিভ্রান্তিকর
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গয়েশ্বর রায়কে একমাত্র হিন্দু সংসদ সদস্য বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার

কৃষি মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে ‘হিন্দু নিধন’ নিয়ে কোনো প্রশ্নই করা হয়নি; ভারতীয় মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রচার
বিভ্রান্তিকর
২৮ জানুয়ারী ২০২৬

কৃষি মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে ‘হিন্দু নিধন’ নিয়ে কোনো প্রশ্নই করা হয়নি; ভারতীয় মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রচার



জুতার মালা পরা মুসলিম ব্যক্তিকে হিন্দু বলে প্রচার ভারতীয় এক্স অ্যাকাউন্টে 
মিথ্যা
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

জুতার মালা পরা মুসলিম ব্যক্তিকে হিন্দু বলে প্রচার ভারতীয় এক্স অ্যাকাউন্টে 


বসার জায়গা না পেয়ে কনসার্টে হামলা, ভারতীয় গণমাধ্যম বললো ‘ইসলামিস্টদের মব অ্যাটাক’
মিথ্যা
২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বসার জায়গা না পেয়ে কনসার্টে হামলা, ভারতীয় গণমাধ্যম বললো ‘ইসলামিস্টদের মব অ্যাটাক’

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



পাকিস্তানে মন্দির ভাঙার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদশের বলে প্রচার

ফ্যাক্ট চেক

পাকিস্তানে মন্দির ভাঙার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদশের বলে প্রচার

১০ ডিসেম্বর ২০২৫

<p>পাকিস্তানে মন্দির ভাঙার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদশের বলে প্রচার<br /></p>

সম্প্রতি ভারত থেকে ব্যবহৃত এক্স অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ভাঙার দৃশ্য। 


তবে, যাচাইয়ে দেখা যায়, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ২০২১ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রহিম ইয়ার খান জেলার ভোং শহরে একটি মন্দির ভাঙার দৃশ্য। 


ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করে পাকিস্তানের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ‘Dawn’ এর ওয়েবসাইটে ২০২১ সালের ৫ আগস্ট প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবিতে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে উল্লেখিত দৃশ্যটি ভিন্ন দিক থেকে ধারণ করা। তবে ছড়িয়ে পড়া মানুষের উপস্থিতি, তাদের পোশাক, ভবনের কাঠামো, আসবাব- এসবের মিল রয়েছে।


প্রতিবেদন থেকে জানা যায়,  সেই বছরের ৪ আগস্টে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রহিম ইয়ার খান জেলার ভোং শহরে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় এক হিন্দু বালক প্রস্রাব করার অভিযোগে শত শত মানুষ একটি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করে।


পাকিস্তানের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান জিওটিভির ওয়েবসাইটে এবং ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইটেও সেসময় একই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। 



Source: TOI


অর্থাৎ, ২০২১ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রহিম ইয়ার খান জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ভাঙার দৃশ্যকে বাংলাদেশের ঘটনা দাবি করে ইন্টারনেটে ছড়ানো হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর। 


তথ্যসূত্র

  • দ্য ডন

  • জিও টিভি

  • টাইমস অব ইন্ডিয়া