| অনুসন্ধান

দৈনিক আজকের কণ্ঠ: পত্রিকার ছদ্মবেশে প্রপাগাণ্ডা মেশিন

৯ নভেম্বর ২০২৫


দৈনিক আজকের কণ্ঠ: পত্রিকার ছদ্মবেশে প্রপাগাণ্ডা মেশিন


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে Daily Ajker Kantho নামক একটি পেজ থেকে সম্প্রতি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ইস্যুতে ফটোকার্ড এবং ভিডিও পোস্ট করা হচ্ছে। পেজটির নাম এবং বিন্যাস মূলধারার একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় প্রথম দেখায় অনেকের কাছেই এটি প্রকৃত কোনো পত্রিকার পেজ বলে মনে হতে পারে। 


পেজটির নাম ‘দৈনিক আজকের পত্রিকা’ মূল পত্রিকার সঙ্গে অনেকখানি সাদৃশ্যপূর্ণ, যা প্রথম দেখায় মূলধারার কোনো সংবাদমাধ্যম মনে করাতে পারে। পেজ ও ওয়েবসাইটে ই-পেপারের মতো ছবি থাকায় প্রিন্ট সংস্করণের ধারণাও হতে পারে, তবে বাস্তবে এই পোর্টালের কোনো ই-পেপার বা প্রিন্ট সংস্করণ নেই।


তাছাড়া, ‘আজকের পত্রিকা’-র নামের আদলে পেজটির নামকরণ করা হলেও বাস্তবে এই নামে কোনো নিবন্ধিত পত্রিকা নেই। পেজটি থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত পোস্ট পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, এতে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রমাণ রয়েছে—এমনটি নিশ্চিত করেছে বাংলাফ্যাক্ট। 


গত ৬ নভেম্বর “জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রিয়াজের একদিনের খাবারের বিল প্রায় পাঁচ লাখ টাকা!” শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে। পোস্টটির ক্যাপশনের শিরোনাম ছিল- খাবার বিল ৮৩ কোটি টাকা: ড. ইউনুসসহ ৭ সদস্যের কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তোলপাড়। 


তবে দাবিটি মিথ্যা ছিল। মূলত, ঐকমত্য কমিশনে ৮৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে সম্প্রতি একটি টকশোতে তথ্যপ্রমাণহীন মন্তব্য করেন মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর। ওই মন্তব্যকে আরও বিকৃত করে আলোচিত বিষয়টি প্রচার  করা হয়েছে। অথচ সরকারি ভাষ্যমতে, কমিশনের মোট বাজেটই ছিল ৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে মাত্র ২৩% ব্যবহৃত হয়েছে এবং বাকিটা ফেরত দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাফ্যাক্টের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন।



এর আগে গত ৫ নভেম্বর আলোচিত পেজটি থেকে ‘মুক্তিযোদ্ধাকে গাছে বেঁধে জুতার মালা পরিয়ে পুলিশে সোপর্দ’ শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়। তবে শিরোনামটি বিভ্রান্তিকর। আদতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পাওয়া যায়। অর্থাৎ, যৌন-নিপীড়নে অভিযুক্তকে কেবল মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে শিরোনামে দেখানোর প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। দেশের মূলধারার কিছু গণমাধ্যমও প্রায় একই ধরনের শিরোনামে সেদিন সংবাদ প্রকাশ করে। বিষয়টি নিয়ে বাংলাফ্যাক্টের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন।


এর আগে গত ৫ জুলাই আলোচিত পেজটি থেকে একটি ফটোকার্ড পোস্ট করে দাবি করা হয়, মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন,  ‘শেখ হাসিনার মতো ডায়নামিক লিডার বিরল।’ তবে অনেক চেষ্টা করেও সে দাবির সত্যতা খুঁজে পায়নি বাংলাফ্যাক্ট। মাহাথির মোহাম্মদ শেখ হাসিনার প্রশংসার করেছেন— এ দাবির সপক্ষে গণমাধ্যম বা কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।


গত ১৭ জুলাই আলোচিত পেজটি থেকে ‘বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ডের জবাব কে দেবে?’  - এমন ক্যাপশনে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেখানে দেখা যায়, অচেতন অবস্থায় এক যুবককে দুই পুলিশ সদস্য পুলিশ ভ্যানে তুলছেন। ভিডিওটি ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জের ঘটনা বলে দাবি করা হলেও যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি গত ৪ জুন, ২০২৫ থেকে ইন্টারনেটে রয়েছে। অর্থাৎ, ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার।


এছাড়াও, গত ৮ আগস্ট ‘আর নেই সাংবাদিক আনোয়ার, পুলিশের সামনেই যাকে পিটিয়েছিল চাঁদাবাজরা’ - এমন শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, গাজীপুরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় পুলিশের উপস্থিতিতেই একদল দুর্বৃত্তের হাতে নির্মমভাবে প্রহৃত সেই সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মারা গেছেন। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, গত ৬ আগস্ট গাজীপুরের সাহাপাড়া এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বেধড়ক মারধরের শিকার দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার রিপোর্টার আনোয়ার হোসেন মারা যাননি। তিনি জীবিত আছেন বলে গাজীপুর সদর থানার ওসি মেহেদি হাসান সেসময় বাংলাফ্যাক্টকে নিশ্চিত করেন।

অর্থাৎ, আজকের কণ্ঠ নামের এই পেজ থেকে বিভিন্ন সময়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।


পেজটির বিষয়ে অনুসন্ধান

আলোচিত পেজটিতে বর্তমানে ৪৩ হাজার ফলোয়ার রয়েছে। উক্ত পেজের ট্র্যান্সপারেন্সি সেকশন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়,  এটি ২০২৫ সালের ১৮ এপ্রিল চালু করা হয়েছিল। পেজটি বর্তমানে ৬ জন অ্যাডমিন দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থান বাংলাদেশে, একজন ভারতে, একজন নেদারল্যান্ডসে, এবং একজন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। এছাড়া, একই নামে একটি বাংলা পেজেরও সন্ধান পাওয়া গেছে। যেটি গত ৯ আগস্ট চালু করা হয়। দুটো পেজ থেকেই একই ধরনের কন্টেন্ট প্রচার করতে দেখা যায়। পেজটিতে উল্লেখিত আজকের কণ্ঠের ওয়েবসাইটের ডোমেইন তথ্য যাচাই করে জানা গেছে, এটি ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই নিবন্ধিত হয়েছে।

এছাড়া, একই নামে একটি বাংলা পেজেরও সন্ধান পাওয়া গেছে। যেটি গত ৯ আগস্ট চালু করা হয়। দুটো পেজ থেকেই একই ধরনের কন্টেন্ট প্রচার করতে দেখা যায়। পেজটিতে উল্লেখিত আজকের কণ্ঠের ওয়েবসাইটের ডোমেইন তথ্য যাচাই করে জানা গেছে, এটি ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই নিবন্ধিত হয়েছে। উল্লেখ্য, আজকের কণ্ঠ নামে আরেকটি https://ajkerkantho.com/ ডোমেইনে একটি সাধারণ নিউজ পোর্টালের সন্ধান পাওয়া যায়, যা ২০২১ সাল থেকে চালু আছে।


উল্লেখ্য, আজকের কণ্ঠ নামে আরেকটি https://ajkerkantho.com/ ডোমেইনে একটি সাধারণ নিউজ পোর্টালের সন্ধান পাওয়া যায়, যা ২০২১ সাল থেকে চালু আছে।


উল্লিখিত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে স্পষ্ট যে, ‘দৈনিক আজকের কণ্ঠ’ কোনো পত্রিকা নয় বরং পত্রিকার নামের আদলে তৈরি প্রোপাগান্ডা মেশিন।





Topics:



বিডি ডাইজেস্ট: আওয়ামী প্রোপাগান্ডা মেশিনের আরেক হাতিয়ার
১২ নভেম্বর ২০২৫

বিডি ডাইজেস্ট: আওয়ামী প্রোপাগান্ডা মেশিনের আরেক হাতিয়ার

হত্যার কারণ সাম্প্রদায়িক কলহ নয়, অন্য কিছু
১৯ মার্চ ২০২৫

হত্যার কারণ সাম্প্রদায়িক কলহ নয়, অন্য কিছু

Awami League has contributed the most to political violences in past few decades
১৮ মার্চ ২০২৫

Awami League has contributed the most to political violences in past few decades

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



দৈনিক আজকের কণ্ঠ: পত্রিকার ছদ্মবেশে প্রপাগাণ্ডা মেশিন

অনুসন্ধান

দৈনিক আজকের কণ্ঠ: পত্রিকার ছদ্মবেশে প্রপাগাণ্ডা মেশিন

৯ নভেম্বর ২০২৫

<p>দৈনিক আজকের কণ্ঠ: পত্রিকার ছদ্মবেশে প্রপাগাণ্ডা মেশিন</p>


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে Daily Ajker Kantho নামক একটি পেজ থেকে সম্প্রতি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ইস্যুতে ফটোকার্ড এবং ভিডিও পোস্ট করা হচ্ছে। পেজটির নাম এবং বিন্যাস মূলধারার একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় প্রথম দেখায় অনেকের কাছেই এটি প্রকৃত কোনো পত্রিকার পেজ বলে মনে হতে পারে। 


পেজটির নাম ‘দৈনিক আজকের পত্রিকা’ মূল পত্রিকার সঙ্গে অনেকখানি সাদৃশ্যপূর্ণ, যা প্রথম দেখায় মূলধারার কোনো সংবাদমাধ্যম মনে করাতে পারে। পেজ ও ওয়েবসাইটে ই-পেপারের মতো ছবি থাকায় প্রিন্ট সংস্করণের ধারণাও হতে পারে, তবে বাস্তবে এই পোর্টালের কোনো ই-পেপার বা প্রিন্ট সংস্করণ নেই।


তাছাড়া, ‘আজকের পত্রিকা’-র নামের আদলে পেজটির নামকরণ করা হলেও বাস্তবে এই নামে কোনো নিবন্ধিত পত্রিকা নেই। পেজটি থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত পোস্ট পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, এতে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রমাণ রয়েছে—এমনটি নিশ্চিত করেছে বাংলাফ্যাক্ট। 


গত ৬ নভেম্বর “জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রিয়াজের একদিনের খাবারের বিল প্রায় পাঁচ লাখ টাকা!” শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে। পোস্টটির ক্যাপশনের শিরোনাম ছিল- খাবার বিল ৮৩ কোটি টাকা: ড. ইউনুসসহ ৭ সদস্যের কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তোলপাড়। 


তবে দাবিটি মিথ্যা ছিল। মূলত, ঐকমত্য কমিশনে ৮৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে সম্প্রতি একটি টকশোতে তথ্যপ্রমাণহীন মন্তব্য করেন মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর। ওই মন্তব্যকে আরও বিকৃত করে আলোচিত বিষয়টি প্রচার  করা হয়েছে। অথচ সরকারি ভাষ্যমতে, কমিশনের মোট বাজেটই ছিল ৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে মাত্র ২৩% ব্যবহৃত হয়েছে এবং বাকিটা ফেরত দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাফ্যাক্টের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন।



এর আগে গত ৫ নভেম্বর আলোচিত পেজটি থেকে ‘মুক্তিযোদ্ধাকে গাছে বেঁধে জুতার মালা পরিয়ে পুলিশে সোপর্দ’ শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়। তবে শিরোনামটি বিভ্রান্তিকর। আদতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পাওয়া যায়। অর্থাৎ, যৌন-নিপীড়নে অভিযুক্তকে কেবল মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে শিরোনামে দেখানোর প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। দেশের মূলধারার কিছু গণমাধ্যমও প্রায় একই ধরনের শিরোনামে সেদিন সংবাদ প্রকাশ করে। বিষয়টি নিয়ে বাংলাফ্যাক্টের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন।


এর আগে গত ৫ জুলাই আলোচিত পেজটি থেকে একটি ফটোকার্ড পোস্ট করে দাবি করা হয়, মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন,  ‘শেখ হাসিনার মতো ডায়নামিক লিডার বিরল।’ তবে অনেক চেষ্টা করেও সে দাবির সত্যতা খুঁজে পায়নি বাংলাফ্যাক্ট। মাহাথির মোহাম্মদ শেখ হাসিনার প্রশংসার করেছেন— এ দাবির সপক্ষে গণমাধ্যম বা কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।


গত ১৭ জুলাই আলোচিত পেজটি থেকে ‘বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ডের জবাব কে দেবে?’  - এমন ক্যাপশনে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেখানে দেখা যায়, অচেতন অবস্থায় এক যুবককে দুই পুলিশ সদস্য পুলিশ ভ্যানে তুলছেন। ভিডিওটি ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জের ঘটনা বলে দাবি করা হলেও যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি গত ৪ জুন, ২০২৫ থেকে ইন্টারনেটে রয়েছে। অর্থাৎ, ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার।


এছাড়াও, গত ৮ আগস্ট ‘আর নেই সাংবাদিক আনোয়ার, পুলিশের সামনেই যাকে পিটিয়েছিল চাঁদাবাজরা’ - এমন শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, গাজীপুরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় পুলিশের উপস্থিতিতেই একদল দুর্বৃত্তের হাতে নির্মমভাবে প্রহৃত সেই সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মারা গেছেন। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, গত ৬ আগস্ট গাজীপুরের সাহাপাড়া এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বেধড়ক মারধরের শিকার দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার রিপোর্টার আনোয়ার হোসেন মারা যাননি। তিনি জীবিত আছেন বলে গাজীপুর সদর থানার ওসি মেহেদি হাসান সেসময় বাংলাফ্যাক্টকে নিশ্চিত করেন।

অর্থাৎ, আজকের কণ্ঠ নামের এই পেজ থেকে বিভিন্ন সময়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।


পেজটির বিষয়ে অনুসন্ধান

আলোচিত পেজটিতে বর্তমানে ৪৩ হাজার ফলোয়ার রয়েছে। উক্ত পেজের ট্র্যান্সপারেন্সি সেকশন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়,  এটি ২০২৫ সালের ১৮ এপ্রিল চালু করা হয়েছিল। পেজটি বর্তমানে ৬ জন অ্যাডমিন দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থান বাংলাদেশে, একজন ভারতে, একজন নেদারল্যান্ডসে, এবং একজন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। এছাড়া, একই নামে একটি বাংলা পেজেরও সন্ধান পাওয়া গেছে। যেটি গত ৯ আগস্ট চালু করা হয়। দুটো পেজ থেকেই একই ধরনের কন্টেন্ট প্রচার করতে দেখা যায়। পেজটিতে উল্লেখিত আজকের কণ্ঠের ওয়েবসাইটের ডোমেইন তথ্য যাচাই করে জানা গেছে, এটি ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই নিবন্ধিত হয়েছে।

এছাড়া, একই নামে একটি বাংলা পেজেরও সন্ধান পাওয়া গেছে। যেটি গত ৯ আগস্ট চালু করা হয়। দুটো পেজ থেকেই একই ধরনের কন্টেন্ট প্রচার করতে দেখা যায়। পেজটিতে উল্লেখিত আজকের কণ্ঠের ওয়েবসাইটের ডোমেইন তথ্য যাচাই করে জানা গেছে, এটি ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই নিবন্ধিত হয়েছে। উল্লেখ্য, আজকের কণ্ঠ নামে আরেকটি https://ajkerkantho.com/ ডোমেইনে একটি সাধারণ নিউজ পোর্টালের সন্ধান পাওয়া যায়, যা ২০২১ সাল থেকে চালু আছে।


উল্লেখ্য, আজকের কণ্ঠ নামে আরেকটি https://ajkerkantho.com/ ডোমেইনে একটি সাধারণ নিউজ পোর্টালের সন্ধান পাওয়া যায়, যা ২০২১ সাল থেকে চালু আছে।


উল্লিখিত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে স্পষ্ট যে, ‘দৈনিক আজকের কণ্ঠ’ কোনো পত্রিকা নয় বরং পত্রিকার নামের আদলে তৈরি প্রোপাগান্ডা মেশিন।