| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশুকে ‘নিহত’ বলে গণমাধ্যমে উল্লেখ

১২ জানুয়ারী ২০২৬


মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশুকে ‘নিহত’ বলে গণমাধ্যমে উল্লেখ
মিথ্যা

কক্সবাজারের টেকনাফে সকালে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কিছু গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শিশুটি নিহত হয়েছে। এমন তথ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক নয়া দিগন্ত, একুশে টিভি, একাত্তর টিভি, প্রতিদিনের সংবাদ। 


তবে যাচাই করে দেখা গেছে, শিশুটি মারা যায়নি। সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন আছে। 


এই বিষয়ে অনুসন্ধানে, দ্যা ডেইলি স্টারের ওয়েবসাইটে গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন সংলগ্ন মিয়ানমার অংশের তোতার দ্বীপ সীমান্ত এলাকায় আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে চলা সংঘর্ষের সময় বাংলাদেশি এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়। 


শিশুর চাচার বরাতে গণমাধ্যমটি জানায়, তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে।


দৈনিক ইত্তেফাক ডিজিটালকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রয়েছে।’ 


পাশাপাশি, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গুলিবিদ্ধ শিশুটির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। 


অর্থাৎ, মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে শিশু নিহত হওয়ার তথ্য গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে; যা মিথ্যা। 


তথ্যসূত্র

  • দ্যা ডেইলি স্টার

  • দৈনিক ইত্তেফাক




Topics:

বাংলা ফ্যাক্ট

বন্যার পানিতে নামাজের ছবি এআই-সৃষ্ট
মিথ্যা
১৪ জুলাই ২০২৬

বন্যার পানিতে নামাজের ছবি এআই-সৃষ্ট

ফরিদপুরে এইচএসসি শি ক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের গুলি চালানোর দাবিটি ভুয়া
মিথ্যা
১৪ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরে এইচএসসি শি ক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের গুলি চালানোর দাবিটি ভুয়া

বাঁশখালিতে বন্যায় বসতি ডুবে যাওয়ার দৃশ্য দাবি করে এআই-সৃষ্ট ছবি প্রচার
বিভ্রান্তিকর
১৩ জুলাই ২০২৬

বাঁশখালিতে বন্যায় বসতি ডুবে যাওয়ার দৃশ্য দাবি করে এআই-সৃষ্ট ছবি প্রচার

লাশ ভাসিয়ে দেওয়ার পুরোনো ভিডিওকে চট্টগ্রামের চলমান বন্যা পরিস্থিতির বলে প্রচার
বিভ্রান্তিকর
১২ জুলাই ২০২৬

লাশ ভাসিয়ে দেওয়ার পুরোনো ভিডিওকে চট্টগ্রামের চলমান বন্যা পরিস্থিতির বলে প্রচার

প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যার দৃশ্যটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
বিভ্রান্তিকর
১২ জুলাই ২০২৬

প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যার দৃশ্যটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশুকে ‘নিহত’ বলে গণমাধ্যমে উল্লেখ

ফ্যাক্ট চেক

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশুকে ‘নিহত’ বলে গণমাধ্যমে উল্লেখ

১২ জানুয়ারী ২০২৬

<p>মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশুকে ‘নিহত’ বলে গণমাধ্যমে উল্লেখ<br /></p>

কক্সবাজারের টেকনাফে সকালে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কিছু গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শিশুটি নিহত হয়েছে। এমন তথ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক নয়া দিগন্ত, একুশে টিভি, একাত্তর টিভি, প্রতিদিনের সংবাদ। 


তবে যাচাই করে দেখা গেছে, শিশুটি মারা যায়নি। সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন আছে। 


এই বিষয়ে অনুসন্ধানে, দ্যা ডেইলি স্টারের ওয়েবসাইটে গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন সংলগ্ন মিয়ানমার অংশের তোতার দ্বীপ সীমান্ত এলাকায় আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে চলা সংঘর্ষের সময় বাংলাদেশি এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়। 


শিশুর চাচার বরাতে গণমাধ্যমটি জানায়, তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে।


দৈনিক ইত্তেফাক ডিজিটালকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রয়েছে।’ 


পাশাপাশি, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গুলিবিদ্ধ শিশুটির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। 


অর্থাৎ, মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে শিশু নিহত হওয়ার তথ্য গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে; যা মিথ্যা। 


তথ্যসূত্র

  • দ্যা ডেইলি স্টার

  • দৈনিক ইত্তেফাক