| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
মাহদীকে ছাড়াতে যাওয়ার ঘটনায় সেনাবাহিনী সমন্বয়কদের মারধর করেনি, ভিডিওটি পুরোনো
৪ জানুয়ারী ২০২৬
‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম’- এমন মন্তব্য করে আলোচনায় আসা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানকে গতকাল শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে আটক করে পুলিশ। এর পর সাড়ে ৭টার দিকে সংগঠনটির শতাধিক নেতা-কর্মী হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে অবস্থান নেয়।
এরই মধ্যে, মাহদী হাসানকে ছাড়িয়ে নিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা হবিগঞ্জ থানায় হামলা করলে সেনাবাহিনী তাদের লাঠিচার্জ করেছে- এমন দাবি করে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওর দাবিটি সঠিক নয়। মদ্যপ অবস্থায় রাস্তায় মাতলামি করার কারণে গত বছরের জুনে সেনাবাহিনী কিছু যুবককে শাস্তি দেয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক জনকণ্ঠের ফেসবুক পেজে গত ১২ জুন প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। সেই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মদ্যপ অবস্থায় রাস্তায় মাতলামি করার কারণে সেনাবাহিনী কিছু যুবককে শাস্তি দেয়।
পাশাপাশি, গণমাধ্যম কিংবা বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে মাহদী হাসানকে ছাড়িয়ে নিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা হবিগঞ্জ থানার সামনে অবস্থান নিলেও তারা থানায় হামলা করেছে- এমন তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, আটক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানকে আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এ হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
অর্থাৎ, মাহদী হাসানকে ছাড়িয়ে নিতে হবিগঞ্জ থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের হামলা করার দাবিটি মিথ্যা এবং একই কারণে সেনাবাহিনী তাদের লাঠিচার্জ করেছে বলে ছড়ানো ভিডিওটি গত বছরের।
তথ্যসূত্র
দৈনিক জনকণ্ঠ
Topics:
মিথ্যা Bangla Fact banglafact বাংলা ফ্যাক্ট
রমনা পার্কে নিরাপত্তা মহড়ার দৃশ্যকে ‘আতঙ্কবাদীর হামলা’ দাবি করে অপপ্রচার
উখিয়ায় ৫ বছরের শিশুকে আটক করা হয়নি, আত্মীয়-স্বজন হেফাজতে না নেওয়ায় মায়ের সঙ্গে আদালতে নেওয়া হয়
নরসিংদীতে মাদ্রাসা ছাত্র পিটুনির দৃশ্য দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
ঘটনাস্থল ‘ভারত’ উল্লেখ না করে গণমাধ্যমের শিরোনাম, বিদেশি ঘটনাকে পাঠক মনে করছে বাংলাদেশের
ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
মাহদীকে ছাড়াতে যাওয়ার ঘটনায় সেনাবাহিনী সমন্বয়কদের মারধর করেনি, ভিডিওটি পুরোনো
৪ জানুয়ারী ২০২৬
‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম’- এমন মন্তব্য করে আলোচনায় আসা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানকে গতকাল শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে আটক করে পুলিশ। এর পর সাড়ে ৭টার দিকে সংগঠনটির শতাধিক নেতা-কর্মী হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে অবস্থান নেয়।
এরই মধ্যে, মাহদী হাসানকে ছাড়িয়ে নিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা হবিগঞ্জ থানায় হামলা করলে সেনাবাহিনী তাদের লাঠিচার্জ করেছে- এমন দাবি করে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওর দাবিটি সঠিক নয়। মদ্যপ অবস্থায় রাস্তায় মাতলামি করার কারণে গত বছরের জুনে সেনাবাহিনী কিছু যুবককে শাস্তি দেয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক জনকণ্ঠের ফেসবুক পেজে গত ১২ জুন প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। সেই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মদ্যপ অবস্থায় রাস্তায় মাতলামি করার কারণে সেনাবাহিনী কিছু যুবককে শাস্তি দেয়।
পাশাপাশি, গণমাধ্যম কিংবা বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে মাহদী হাসানকে ছাড়িয়ে নিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা হবিগঞ্জ থানার সামনে অবস্থান নিলেও তারা থানায় হামলা করেছে- এমন তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, আটক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানকে আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এ হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
অর্থাৎ, মাহদী হাসানকে ছাড়িয়ে নিতে হবিগঞ্জ থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের হামলা করার দাবিটি মিথ্যা এবং একই কারণে সেনাবাহিনী তাদের লাঠিচার্জ করেছে বলে ছড়ানো ভিডিওটি গত বছরের।
তথ্যসূত্র
দৈনিক জনকণ্ঠ