| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
ভিডিওটি গতকাল হাটহাজারীর সংঘর্ষের নয়, ২০২৪ সালের ভিন্ন ঘটনার
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিভ্রান্তিকর
গত ৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।
এরই প্রেক্ষিতে, চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ১৪৪ ধারা জারির পরে সেনাবাহিনী বিবাদমান দুই পক্ষের কর্মীদের লাঠিপেটা করছে এবং সে কারণে জনমনে তীব্র আতঙ্ক ও ও ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে দাবি করে একটি ভিডিও ইন্টারনেটে প্রচার করা হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি হাটহাজারীর নয়। এমনকি তা সাম্প্রতিক সময়েরও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসের ভিন্ন ঘটনার। এটি সেই সময় চট্টগ্রাম নগরীর হাজারী গলিতে একজন ব্যক্তির ইসকন বিরোধী একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনার ভিডিও।
আলোচিত ভিডিওটি থেকে কিছু স্থিরচিত্র নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চের মাধ্যমে সময় টিভির ওয়েবসাইটে ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর ‘চট্টগ্রামে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক ৮০’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ফিচার ইমেজের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমের সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর ইসকন বিরোধী এক ফেসবুক পোস্ট কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীর টেরীবাজার এলাকার হাজারী লেনে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটি টহল দল সেখানে পৌছায়। কিন্তু, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর অতর্কিত হামলা চালালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও আহত হন। এ সময় যৌথবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ৮০ জন সন্দেহজনক ব্যক্তিকে আটক করে।
এই বিষয়ে কালের কন্ঠ, ঢাকা পোস্ট -এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও একই ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, চট্টগ্রামে ১৪৪ ধারা জারির পরে সেনাবাহিনীর লাঠিচার্জ শুরু দাবি করে ২০২৪ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রামের হাজারী গলির পুরোনো ভিন্ন ঘটনার ভিডিও প্রচার করা হয়েছে; যা বিভ্রান্তিকর।
Topics:
বিভ্রান্তিকর
২২ জানুয়ারী ২০২৬
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙা নিয়ে অপপ্রচার
১৪ জানুয়ারী ২০২৬
পিআইবি’র কোনো আলোচনায় অধ্যাপক মুশতাক খান জরিপ নিয়ে কোনো বক্তব্য দেননি, সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন শুভ্রর দাবিটি সর্বৈব মিথ্যা
মিথ্যা
১২ জানুয়ারী ২০২৬
মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশুকে ‘নিহত’ বলে গণমাধ্যমে উল্লেখ
মিথ্যা
৪ জানুয়ারী ২০২৬
মাহদীকে ছাড়াতে যাওয়ার ঘটনায় সেনাবাহিনী সমন্বয়কদের মারধর করেনি, ভিডিওটি পুরোনো
মিথ্যা
২২ ডিসেম্বর ২০২৫
হিজাব না পরার জন্য নয়, ফুচকার দোকানে বসা নিয়ে বাধে সংঘর্ষ
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
বিভ্রান্তিকর
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙা নিয়ে অপপ্রচার
মিথ্যা
ভারতে দোকানীর ওপর হামলার ঘটনাকে বাংলাদেশের চাঁদাবাজির ঘটনা দাবিতে অপপ্রচার।
বিভ্রান্তিকর
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে জিএম কাদেরের সাম্প্রতিক বৈঠকের দাবি করে ছড়ানো ছবিটি পুরোনো
বিভ্রান্তিকর
রাজধানীতে বাসে অগ্নিসংযোগের পুরোনো ভিডিওকে সাম্প্রতিক দাবিতে প্রচার
ফ্যাক্ট চেক
ভিডিওটি গতকাল হাটহাজারীর সংঘর্ষের নয়, ২০২৪ সালের ভিন্ন ঘটনার
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গত ৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।
এরই প্রেক্ষিতে, চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ১৪৪ ধারা জারির পরে সেনাবাহিনী বিবাদমান দুই পক্ষের কর্মীদের লাঠিপেটা করছে এবং সে কারণে জনমনে তীব্র আতঙ্ক ও ও ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে দাবি করে একটি ভিডিও ইন্টারনেটে প্রচার করা হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি হাটহাজারীর নয়। এমনকি তা সাম্প্রতিক সময়েরও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসের ভিন্ন ঘটনার। এটি সেই সময় চট্টগ্রাম নগরীর হাজারী গলিতে একজন ব্যক্তির ইসকন বিরোধী একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনার ভিডিও।
আলোচিত ভিডিওটি থেকে কিছু স্থিরচিত্র নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চের মাধ্যমে সময় টিভির ওয়েবসাইটে ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর ‘চট্টগ্রামে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক ৮০’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ফিচার ইমেজের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমের সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর ইসকন বিরোধী এক ফেসবুক পোস্ট কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীর টেরীবাজার এলাকার হাজারী লেনে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটি টহল দল সেখানে পৌছায়। কিন্তু, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর অতর্কিত হামলা চালালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও আহত হন। এ সময় যৌথবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ৮০ জন সন্দেহজনক ব্যক্তিকে আটক করে।
এই বিষয়ে কালের কন্ঠ, ঢাকা পোস্ট -এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও একই ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, চট্টগ্রামে ১৪৪ ধারা জারির পরে সেনাবাহিনীর লাঠিচার্জ শুরু দাবি করে ২০২৪ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রামের হাজারী গলির পুরোনো ভিন্ন ঘটনার ভিডিও প্রচার করা হয়েছে; যা বিভ্রান্তিকর।