| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের দাবিটি মিথ্যা, ভিডিওটি গতবছরের
২৩ মে ২০২৬
খুলনায় শিশু ধর্ষণকারীকে আদালতে নেওয়ার সময় পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে - এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া, কিছু পোর্টালেও একই দাবি করে সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। যেমন: বাহান্ন নিউজ, প্রতিফলন, সবার দেশ।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের দাবিটি মিথ্যা। ভিডিওটি ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বরের। সেদিন খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধান চালালে, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর ‘Shihab Uddin’ নামে এক ফেসবুক পেজে একই ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, সেদিন খুলনায় আদালত চত্বরে প্রকাশ্য আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করে দুজনকে হত্যা করা হয়।
এসব তথ্য গুগলে সার্চ করলে দৈনিক প্রথম আলোয় ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। তা থেকে জানা যায়, সেদিন খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হন। নিহত দুজনের নাম মো. ফজলে রাব্বি (রাজন) ও হাসিব হাওলাদার। পুলিশ জানায়, দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।
সেদিন একই তথ্যে আরও কিছু গণমাধ্যমে (১, ২, ৩) প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছে। তবে এসব প্রতিবেদনে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য উল্লেখ পাওয়া যায়নি।
তাছাড়া, খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের বিষয়ে খোঁজ চালালে, গণমাধ্যমে এমন তথ্য মেলেনি।
অর্থাৎ, খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের দাবিটি মিথ্যা এবং একই দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওটি গতবছরের।
তথ্যসূত্র
Shihab Uddin
দৈনিক প্রথম আলো
Topics:
Bangla Fact banglafact বাংলা ফ্যাক্ট
শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার
সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের
পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
এবার ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আইডি কার্ড জালিয়াতি করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিপক্ষে মিথ্যা বয়ান প্রচার
রাজবাড়ীতে নারী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলার দাবি সত্য নয়; ভিডিওটি ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনার
বাংলাদেশ নিয়ে র্যাব সদস্যের মন্তব্যের ভিডিওটি বাস্তব নয়, এআই দিয়ে তৈরি
সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার; ছড়ানো হচ্ছে তুরাগ নদ থেকে লাশ উদ্ধার দাবিতে
ফ্যাক্ট চেক
খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের দাবিটি মিথ্যা, ভিডিওটি গতবছরের
২৩ মে ২০২৬
খুলনায় শিশু ধর্ষণকারীকে আদালতে নেওয়ার সময় পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে - এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া, কিছু পোর্টালেও একই দাবি করে সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। যেমন: বাহান্ন নিউজ, প্রতিফলন, সবার দেশ।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের দাবিটি মিথ্যা। ভিডিওটি ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বরের। সেদিন খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধান চালালে, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর ‘Shihab Uddin’ নামে এক ফেসবুক পেজে একই ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, সেদিন খুলনায় আদালত চত্বরে প্রকাশ্য আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করে দুজনকে হত্যা করা হয়।
এসব তথ্য গুগলে সার্চ করলে দৈনিক প্রথম আলোয় ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। তা থেকে জানা যায়, সেদিন খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হন। নিহত দুজনের নাম মো. ফজলে রাব্বি (রাজন) ও হাসিব হাওলাদার। পুলিশ জানায়, দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।
সেদিন একই তথ্যে আরও কিছু গণমাধ্যমে (১, ২, ৩) প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছে। তবে এসব প্রতিবেদনে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য উল্লেখ পাওয়া যায়নি।
তাছাড়া, খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের বিষয়ে খোঁজ চালালে, গণমাধ্যমে এমন তথ্য মেলেনি।
অর্থাৎ, খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের দাবিটি মিথ্যা এবং একই দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওটি গতবছরের।
তথ্যসূত্র
Shihab Uddin
দৈনিক প্রথম আলো