| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সম্প্রতি ‘অশ্লীল ভিডিও ধারণ হচ্ছে এমন অভিযোগে একটা স্টুডিওতে এলাকাবাসী ভাঙচুর করেছে। সব কিছুতে সরকারকে দায়ি করা ঠিক না। কারো পর্নোগ্রাফি শুটিং এর নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের কাজ না।’ (বানান অপরিবর্তিত) শিরোনামে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হচ্ছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ডা. জাহেদ উর রহমান এমন কোনো মন্তব্য করেননি। কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাঁর নামে ভুয়া এই মন্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
প্রচারিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, সেখানে তথ্যসূত্র হিসেবে জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো'র নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রথম আলোর ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ কিংবা ইউটিউব চ্যানেলে আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও অন্যকোনো গণমাধ্যম কিংবা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণ মেলেনি।
পরে, ডা. জাহেদ উর রহমানের ফেসবুক পেজে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ‘সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও আর 'চাঁদাবাজ' বিএনপি । Zahed's Take । জাহেদ উর রহমান । Zahed Ur Rahman’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। সেখানে তাকে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং তার স্বপ্নের একটি স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে তার প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে। যেকোনো নাগরিকের স্থাপনা ভাঙচুর করা একটি ফৌজদারি অপরাধ এবং এ বিষয়ে সুরক্ষার অভাবের জন্য সরকারকে দায়ী করা যেমন স্বাভাবিক, তেমনি অপরাধীদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করাও সরকারের ম্যান্ডেটের অন্তর্ভুক্ত।
তবে তিনি সেখানে আলোচিত দাবির অনুরূপ কোনো মন্তব্য করেননি।
অর্থাৎ, ডা. জাহেদ উর রহমানের নামে ছড়িয়ে পড়া আলোচিত মন্তব্যটি মিথ্যা।
Topics:
শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের
পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার
টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী নারীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নোয়াখালীর নয়, নেপালের
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
বিদ্যুৎ বিল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নামে অপপ্রচার
অস্ত্র হাতে নির্বাচনের কেন্দ্র দখলের দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি মহড়ার দৃশ্য
ঘটনাস্থল ‘ভারত’ উল্লেখ না করে গণমাধ্যমের শিরোনাম, বিদেশি ঘটনাকে পাঠক মনে করছে বাংলাদেশের
হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
ফ্যাক্ট চেক
সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সম্প্রতি ‘অশ্লীল ভিডিও ধারণ হচ্ছে এমন অভিযোগে একটা স্টুডিওতে এলাকাবাসী ভাঙচুর করেছে। সব কিছুতে সরকারকে দায়ি করা ঠিক না। কারো পর্নোগ্রাফি শুটিং এর নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের কাজ না।’ (বানান অপরিবর্তিত) শিরোনামে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হচ্ছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ডা. জাহেদ উর রহমান এমন কোনো মন্তব্য করেননি। কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাঁর নামে ভুয়া এই মন্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
প্রচারিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, সেখানে তথ্যসূত্র হিসেবে জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো'র নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রথম আলোর ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ কিংবা ইউটিউব চ্যানেলে আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও অন্যকোনো গণমাধ্যম কিংবা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণ মেলেনি।
পরে, ডা. জাহেদ উর রহমানের ফেসবুক পেজে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ‘সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও আর 'চাঁদাবাজ' বিএনপি । Zahed's Take । জাহেদ উর রহমান । Zahed Ur Rahman’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। সেখানে তাকে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং তার স্বপ্নের একটি স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে তার প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে। যেকোনো নাগরিকের স্থাপনা ভাঙচুর করা একটি ফৌজদারি অপরাধ এবং এ বিষয়ে সুরক্ষার অভাবের জন্য সরকারকে দায়ী করা যেমন স্বাভাবিক, তেমনি অপরাধীদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করাও সরকারের ম্যান্ডেটের অন্তর্ভুক্ত।
তবে তিনি সেখানে আলোচিত দাবির অনুরূপ কোনো মন্তব্য করেননি।
অর্থাৎ, ডা. জাহেদ উর রহমানের নামে ছড়িয়ে পড়া আলোচিত মন্তব্যটি মিথ্যা।