| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
নিহত নয়, গণপিটুনিতে আহত হয়েছে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত
২৩ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে উত্তেজিত জনতা গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে দাবি করে একটি তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। নারায়ণগঞ্জে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত গণপিটুনিতে নিহত হননি বরং আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মূলধারার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে আজ (২৩ মে) ফতুল্লায় ‘৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তরুণকে বেদম পিটুনি’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শুক্রবার (২২মে) রাতে রায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে হীরা (২১) নামের এক তরুণকে বেদম পিটিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁকে গুরুতর অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল (২২) নামের আরও এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক–সার্কেল) মো. শামীম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়েছেন উত্তেজিত জনতা। পরে তাঁকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত অপর ব্যক্তিকেও আটক করা হয়েছে।
এছাড়াও, দৈনিক ইত্তেফাকের এ সম্পর্কিত প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, গণপিটুনিতে আহত অভিযুক্ত হীরা মারা যাননি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুব আলম বাংলাফ্যাক্টকে জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নে ৬বছরের একটি শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। শিশুটি চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের একজন জামাল পাটোয়ারীর ছেলে সোহেল (২১) -কে গণপিটুনি নিয়ে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। অপর অভিযুক্ত মনির হোসেনের ছেলে হীরা (২২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অর্থাৎ, দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
Topics:
এআই দ্বারা সম্পাদিত ছবি ব্যবহার করে শহীদ আবু সাঈদ চত্ত্বর নিয়ে অপপ্রচার
নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার; ছড়ানো হচ্ছে তুরাগ নদ থেকে লাশ উদ্ধার দাবিতে
এক নারীকে প্রকাশ্যে হত্যার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে হেয় করতে এআই-সৃষ্ট ছবি ব্যবহার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
এসএসসি পরীক্ষার ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র ফাঁস দাবিতে ২০২৪ সালের প্রশ্নপত্র প্রচার।
জুলাই অভ্যুত্থান ও মাইলস্টোনের দুর্ঘটনা নিয়ে এখন টিভি'র নামে ছড়ানো ফটোকার্ডটি নকল
মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশুকে ‘নিহত’ বলে গণমাধ্যমে উল্লেখ
ভোট প্রদান ইস্যুতে ডিএমপি কমিশনারের
খণ্ডিত বক্তব্য বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার
ফ্যাক্ট চেক
নিহত নয়, গণপিটুনিতে আহত হয়েছে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত
২৩ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে উত্তেজিত জনতা গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে দাবি করে একটি তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। নারায়ণগঞ্জে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত গণপিটুনিতে নিহত হননি বরং আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মূলধারার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে আজ (২৩ মে) ফতুল্লায় ‘৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তরুণকে বেদম পিটুনি’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শুক্রবার (২২মে) রাতে রায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে হীরা (২১) নামের এক তরুণকে বেদম পিটিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁকে গুরুতর অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল (২২) নামের আরও এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক–সার্কেল) মো. শামীম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়েছেন উত্তেজিত জনতা। পরে তাঁকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত অপর ব্যক্তিকেও আটক করা হয়েছে।
এছাড়াও, দৈনিক ইত্তেফাকের এ সম্পর্কিত প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, গণপিটুনিতে আহত অভিযুক্ত হীরা মারা যাননি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুব আলম বাংলাফ্যাক্টকে জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নে ৬বছরের একটি শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। শিশুটি চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের একজন জামাল পাটোয়ারীর ছেলে সোহেল (২১) -কে গণপিটুনি নিয়ে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। অপর অভিযুক্ত মনির হোসেনের ছেলে হীরা (২২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অর্থাৎ, দাবিটি বিভ্রান্তিকর।