| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়
হত্যাকাণ্ডের শিকার মুসলিম ব্যবসায়ী সোহাগকে হিন্দু বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচার
১৩ জুলাই ২০২৫
বিভ্রান্তিকর
পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে গত ৯ জুলাইয়ে ভাঙারি ও যুবদল কর্মী ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) হত্যা করা হয়। নিহত সোহাগ ধর্ম পরিচয়ে মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও ভারতীয় গণমাধ্যম “ইন্ডিয়া টুডে” তাকে হিন্দু আখ্যা দিয়ে “Hindu trader beaten to death with concrete slabs in Bangladesh; attackers dance on body” শিরোনামে একটি সংবাদ পরিবেশন করে, যা স্পষ্টত মিথ্যা।
দেশটির আরো দুটি গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ও টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া সরাসরি তাকে হিন্দু আখ্যা না দিলেও তাঁর মৃত্যুর সংবাদের সাথে সংখ্যালঘু নিপীড়নের প্রসঙ্গ ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের একটি পরিসংখ্যানের বক্তব্য জুড়ে দিয়েছে, যা পাঠককে বিভ্রান্ত করতে পারে।
Topics:
ভারতীয় গণমাধ্যম
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হাটহাজারীতে বৈদুতিক গোলযোগজনিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ‘বাংলাদেশে হিন্দু নিধন’ দাবি করে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৭ আগস্ট ২০২৬
মুসলিম নারীর ওপর হামলার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক ঘটনা দাবি করে প্রচার
মিথ্যা
২৪ আগস্ট ২০২৬
হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
মিথ্যা
১৯ আগস্ট ২০২৬
শ্রীপুরের হারিন্দি গ্রামে হিন্দু নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দাবিটি মিথ্যা
মিথ্যা
১৮ আগস্ট ২০২৬
পাহাড়ে মুসলিমদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ভিডিওকে ভুল তথ্য জুড়ে প্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
হত্যাকাণ্ডের শিকার মুসলিম ব্যবসায়ী সোহাগকে হিন্দু বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচার
১৩ জুলাই ২০২৫
পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে গত ৯ জুলাইয়ে ভাঙারি ও যুবদল কর্মী ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) হত্যা করা হয়। নিহত সোহাগ ধর্ম পরিচয়ে মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও ভারতীয় গণমাধ্যম “ইন্ডিয়া টুডে” তাকে হিন্দু আখ্যা দিয়ে “Hindu trader beaten to death with concrete slabs in Bangladesh; attackers dance on body” শিরোনামে একটি সংবাদ পরিবেশন করে, যা স্পষ্টত মিথ্যা।
দেশটির আরো দুটি গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ও টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া সরাসরি তাকে হিন্দু আখ্যা না দিলেও তাঁর মৃত্যুর সংবাদের সাথে সংখ্যালঘু নিপীড়নের প্রসঙ্গ ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের একটি পরিসংখ্যানের বক্তব্য জুড়ে দিয়েছে, যা পাঠককে বিভ্রান্ত করতে পারে।