| অনুসন্ধান
লীগের ছড়ানো ফেইক স্ক্রিনশট থেকে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে সংঘাত
২৪ এপ্রিল ২০২৬
Eshan Chowdhury নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে এআই ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাইমা রহমানের একটি আপত্তিকর ছবি তৈরি করে পোস্ট করা হয়। পরবর্তীতে, এই আপত্তিকর পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে সেটি এডিট করে শিবির নেতা Abdullah Al Mahmud এর ফেসবুক আইডি বসিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি কয়েকটি পয়েন্টে উপস্থাপন করা হলো।
এক. Eshan Chowdhury নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রথম ওই আপত্তিকর পোস্টটি করা হয়।
দুই. ওই পোস্টে Ahmed Habib নামের একটি আইডি থেকে মন্তব্য করা হয়েছিল; যেখানে পোস্ট এবং মন্তব্যের সময়ের ব্যবধান ছিল ঠিক ১২ মিনিট।
তিন. পরবর্তীতে মূল পোস্টের ১৮তম মিনিটে একটি স্ক্রিনশট নেওয়া হয়। এরপর Abdullah Al Mahmud-এর প্রোফাইল থেকে একটি পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে, নামের অংশটুকু ক্রপ করে 'Eshan Chowdhury'-র জায়গায় নিখুঁতভাবে বসিয়ে দিয়ে ভুয়া স্ক্রিনশটটি তৈরি করা হয়।
চার. Abdullah Al Mahmud-এর নামে চালানো বিকৃত স্ক্রিনশটটিতেও Ahmed Habib-এর সেই মন্তব্যের সময়ের ব্যবধান হুবহু ১২ মিনিটই রয়ে গেছে। এটিতে প্রমাণিত হয় Eshan Chowdhury-এর করা পোস্টটি এডিট করেই ফেইক স্ক্রিনশটটি বানানো হয়েছে।
পাঁচ. সম্পাদনার ফলে ভুয়া স্ক্রিনশটটিতে (ি) হ্রস্ব ই-কার বা ই-কারের ‘উড়ানি’ নষ্ট হয়ে যায়।
ছয়. এই এডিট করা ভুয়া স্ক্রিনশটটি শুরুতে আওয়ামী লীগপন্থী বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। Gazi Asraful Islam Srabon নামের একজন ছাত্রলীগ নেতা ওই ফেইক স্ক্রিনশট শেয়ার করে এবং হামলার উস্কানি দিতে থাকে। ‘Aronno Abir’ নামক আওয়ামীপন্থী একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও এই এডিট করা ভুয়া স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে উসকানিমূলক পোস্ট করতে দেখা যায়। এসব পোস্টে আবদুল্লাহ আল মাহমুদের আইডি লিংকও শেয়ার করা হয়।
সাত. পরবর্তী সময়ে বিষয়টির সত্যতা যাচাই না করেই ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মী এটিকে আসল ভেবে নিজেদের টাইমলাইনে শেয়ার করতে শুরু করেন।
আট. এসময় শাহবাগ থানা এলাকার আশপাশে ও ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
Topics:
ভিত্তিহীন ইস/রায়ে/লি অভিযোগ প্রচারে ব্যস্ত আ. লীগপন্থিরা
বেনজীরের কাঁধে ২৭০টি গুম ও ১৬৫০টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের দায়
ডিজিটাল ময়দানে পতিত ফ্যাসিস্টদের যৌন-আগ্রাসী আচরণ
অনির্ভরযোগ্য নিউজসাইটের ভুয়া প্রতিবেদনের বরাতে আজকের কণ্ঠের প্রোপাগাণ্ডা
দেশকে অরাজক দেখাতে সক্রিয় আওয়ামীপন্থী পেইজ, টার্গেট বিএনপি ও নতুন সরকার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
অনুসন্ধান
লীগের ছড়ানো ফেইক স্ক্রিনশট থেকে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে সংঘাত
২৪ এপ্রিল ২০২৬
Eshan Chowdhury নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে এআই ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাইমা রহমানের একটি আপত্তিকর ছবি তৈরি করে পোস্ট করা হয়। পরবর্তীতে, এই আপত্তিকর পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে সেটি এডিট করে শিবির নেতা Abdullah Al Mahmud এর ফেসবুক আইডি বসিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি কয়েকটি পয়েন্টে উপস্থাপন করা হলো।
এক. Eshan Chowdhury নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রথম ওই আপত্তিকর পোস্টটি করা হয়।
দুই. ওই পোস্টে Ahmed Habib নামের একটি আইডি থেকে মন্তব্য করা হয়েছিল; যেখানে পোস্ট এবং মন্তব্যের সময়ের ব্যবধান ছিল ঠিক ১২ মিনিট।
তিন. পরবর্তীতে মূল পোস্টের ১৮তম মিনিটে একটি স্ক্রিনশট নেওয়া হয়। এরপর Abdullah Al Mahmud-এর প্রোফাইল থেকে একটি পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে, নামের অংশটুকু ক্রপ করে 'Eshan Chowdhury'-র জায়গায় নিখুঁতভাবে বসিয়ে দিয়ে ভুয়া স্ক্রিনশটটি তৈরি করা হয়।
চার. Abdullah Al Mahmud-এর নামে চালানো বিকৃত স্ক্রিনশটটিতেও Ahmed Habib-এর সেই মন্তব্যের সময়ের ব্যবধান হুবহু ১২ মিনিটই রয়ে গেছে। এটিতে প্রমাণিত হয় Eshan Chowdhury-এর করা পোস্টটি এডিট করেই ফেইক স্ক্রিনশটটি বানানো হয়েছে।
পাঁচ. সম্পাদনার ফলে ভুয়া স্ক্রিনশটটিতে (ি) হ্রস্ব ই-কার বা ই-কারের ‘উড়ানি’ নষ্ট হয়ে যায়।
ছয়. এই এডিট করা ভুয়া স্ক্রিনশটটি শুরুতে আওয়ামী লীগপন্থী বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। Gazi Asraful Islam Srabon নামের একজন ছাত্রলীগ নেতা ওই ফেইক স্ক্রিনশট শেয়ার করে এবং হামলার উস্কানি দিতে থাকে। ‘Aronno Abir’ নামক আওয়ামীপন্থী একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও এই এডিট করা ভুয়া স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে উসকানিমূলক পোস্ট করতে দেখা যায়। এসব পোস্টে আবদুল্লাহ আল মাহমুদের আইডি লিংকও শেয়ার করা হয়।
সাত. পরবর্তী সময়ে বিষয়টির সত্যতা যাচাই না করেই ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মী এটিকে আসল ভেবে নিজেদের টাইমলাইনে শেয়ার করতে শুরু করেন।
আট. এসময় শাহবাগ থানা এলাকার আশপাশে ও ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।