| বিশ্লেষণ

সীমান্তের কাল্পনিক চিত্র আর ভুল তথ্য দিয়ে বানানো গেরুয়া-সবুজ ম্যাপ 

সীমান্তের কোনোদিকেই কোনও দল একচেটিয়া আসন পায়নি

৬ মে ২০২৬


সীমান্তের কাল্পনিক চিত্র আর ভুল তথ্য দিয়ে বানানো গেরুয়া-সবুজ ম্যাপ 
সীমান্তের কোনোদিকেই কোনও দল একচেটিয়া আসন পায়নি

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তের জেলাগুলোতে জামায়াত ও বিজেপি একতরফা জয় দেখানো ম্যাপটি বিভ্রান্তিকর।


সম্প্রতি একটি ম্যাপ বা গ্রাফ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বাংলাদেশে জামায়াত ও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয়লাভ করেছে। আদতে এই হিসাব অবাস্তব ও মিথ্যা।


ম্যাপটিতে বাংলাদেশের ১৯টি জেলাকে সীমান্তবর্তী হিসেবে দেখিয়ে সব জেলায় জামায়াত জয়ী হয়েছে বলে দেখানো হয়েছে। ম্যাপে এই জেলাগুলো সবুজ। 


অথচ পঞ্চগড় ,ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, ও নাটোর জেলায় জামায়াত কোনো আসনেই জয়ী হয়নি। নওগাঁ, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ জেলায় বিএনপি বেশি সংখ্যক আসনে জয়লাভ করেছে। ম্যাপে উল্লিখিত ১৯টি  জেলার মধ্যে কেবল ৪টিতে জামায়াত সব আসনে জয়ী হয়েছে। ম্যাপটিতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোকে রাজনৈতিকভাবে “দাগিয়ে” দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ও আপত্তিকর। তাছাড়া মানচিত্র হিসেবেও ম্যাপটি সঠিক নয়। এতে গাইবান্ধা, নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ মোটেই সীমান্ত জেলা না। এগুলি উত্তর ও মধ্য অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ জেলা।


পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও ম্যাপটিতে বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন দেখা গেছে। এতে ১১টি জেলার উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির সবগুলো আসনে বিজপি জয়লাভ করেছে। বাকি ৯টি জেলায় একাধিক আসনে তৃণমূল কংগ্রেস ও অন্যান্য দল রয়েছে।





Topics:



ফটোকার্ডে ঘটনাস্থলের নাম নেই, মনোযোগ টানতে গণমাধ্যমের অসাধু কৌশল
৩ নভেম্বর ২০২৬

ফটোকার্ডে ঘটনাস্থলের নাম নেই, মনোযোগ টানতে গণমাধ্যমের অসাধু কৌশল

ফার্স্টপোস্টে মাইকেল রুবিনের বাংলাদেশ নিয়ে আকাশ-কুসুম নিবন্ধ
২৮ অক্টোবর ২০২৬

ফার্স্টপোস্টে মাইকেল রুবিনের বাংলাদেশ নিয়ে আকাশ-কুসুম নিবন্ধ

জাতিসংঘের প্রতিবেদন নিয়ে মাইকেল রুবিনের  বিভ্রান্তিকর নিবন্ধ
২৮ অক্টোবর ২০২৬

জাতিসংঘের প্রতিবেদন নিয়ে মাইকেল রুবিনের বিভ্রান্তিকর নিবন্ধ

এক্সের অটো ট্রান্সলেশন ত্রুটিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম “রহমান”কে “হাসিনা” দেখানো হয়েছে
২৮ অক্টোবর ২০২৬

এক্সের অটো ট্রান্সলেশন ত্রুটিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম “রহমান”কে “হাসিনা” দেখানো হয়েছে

সজীব ওয়াজেদ জয়ের সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের প্রতিবেদন নিয়ে ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন
২৮ অক্টোবর ২০২৬

সজীব ওয়াজেদ জয়ের সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের প্রতিবেদন নিয়ে ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



সীমান্তের কাল্পনিক চিত্র আর ভুল তথ্য দিয়ে বানানো গেরুয়া-সবুজ ম্যাপ 
সীমান্তের কোনোদিকেই কোনও দল একচেটিয়া আসন পায়নি

বিশ্লেষণ

সীমান্তের কাল্পনিক চিত্র আর ভুল তথ্য দিয়ে বানানো গেরুয়া-সবুজ ম্যাপ 

সীমান্তের কোনোদিকেই কোনও দল একচেটিয়া আসন পায়নি

৬ মে ২০২৬

<p><span style="color: red;">সীমান্তের কাল্পনিক চিত্র আর ভুল তথ্য দিয়ে বানানো গেরুয়া-সবুজ ম্যাপ&nbsp;</span></p>
<p><span style="font-weight: bold; font-size: 24px;">সীমান্তের কোনোদিকেই কোনও দল একচেটিয়া আসন পায়নি</span></p>

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তের জেলাগুলোতে জামায়াত ও বিজেপি একতরফা জয় দেখানো ম্যাপটি বিভ্রান্তিকর।


সম্প্রতি একটি ম্যাপ বা গ্রাফ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বাংলাদেশে জামায়াত ও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয়লাভ করেছে। আদতে এই হিসাব অবাস্তব ও মিথ্যা।


ম্যাপটিতে বাংলাদেশের ১৯টি জেলাকে সীমান্তবর্তী হিসেবে দেখিয়ে সব জেলায় জামায়াত জয়ী হয়েছে বলে দেখানো হয়েছে। ম্যাপে এই জেলাগুলো সবুজ। 


অথচ পঞ্চগড় ,ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, ও নাটোর জেলায় জামায়াত কোনো আসনেই জয়ী হয়নি। নওগাঁ, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ জেলায় বিএনপি বেশি সংখ্যক আসনে জয়লাভ করেছে। ম্যাপে উল্লিখিত ১৯টি  জেলার মধ্যে কেবল ৪টিতে জামায়াত সব আসনে জয়ী হয়েছে। ম্যাপটিতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোকে রাজনৈতিকভাবে “দাগিয়ে” দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ও আপত্তিকর। তাছাড়া মানচিত্র হিসেবেও ম্যাপটি সঠিক নয়। এতে গাইবান্ধা, নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ মোটেই সীমান্ত জেলা না। এগুলি উত্তর ও মধ্য অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ জেলা।


পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও ম্যাপটিতে বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন দেখা গেছে। এতে ১১টি জেলার উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির সবগুলো আসনে বিজপি জয়লাভ করেছে। বাকি ৯টি জেলায় একাধিক আসনে তৃণমূল কংগ্রেস ও অন্যান্য দল রয়েছে।