| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

গোপালগঞ্জের নয়, শিশু জাবির জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ

১৮ জুলাই ২০২৫


গোপালগঞ্জের নয়, শিশু জাবির জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ
মিথ্যা

গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় ৫ জন নিহত হন। এরই প্রেক্ষিতে, ওইদিন গোপালগঞ্জে পুলিশের গুলিতে জাবির নামে এক শিশু নিহত হয়েছে দাবিতে এক শিশুর ছবিসহ একটি ফটোকার্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হচ্ছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে পুলিশের গুলিতে শিশু জাবির নিহত হয়নি। প্রকৃতপক্ষে, শিশুটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।


ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের ওয়েবসাইটে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া শিশুর ছবির মিল পাওয়া যায়।


প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের দিন কবির হোসেন ও রোকেয়া বেগম দম্পতি রাজধানীর উত্তরায় তাদের তিন সন্তান জুবাইনা কবির নেহা, জুবায়ের মাহতাব আবদুল্লাহ ও জাবির ইব্রাহিমকে সঙ্গে নিয়ে বিজয়োল্লাসে যোগ দিতে যান। সেই সময়ে পুলিশের গুলিতে জাবির ইব্রাহিম শহীদ হন।


তাছাড়া, দৈনিক ইত্তেফাকের ওয়েবসাইটে আজ (১৮ জুলাই) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫ জন নিহত হয়েছেন। তারা হচ্ছেন, সোহেল মোল্লা (৩৫), রমজান মুন্সী (৩২), দীপ্ত সাহা (২৫), ইমন তালুকদার (১৭) ও রমজান কাজী (১৮)।


অর্থাৎ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের দিন পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া জাবির ইব্রাহিম গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিহত হয়েছে দাবিতে ছড়ানো হচ্ছে; যা মিথ্যা।



Topics:



বন্যার পানিতে নামাজের ছবি এআই-সৃষ্ট
মিথ্যা
১৪ জুলাই ২০২৬

বন্যার পানিতে নামাজের ছবি এআই-সৃষ্ট

ফরিদপুরে এইচএসসি শি ক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের গুলি চালানোর দাবিটি ভুয়া
মিথ্যা
১৪ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরে এইচএসসি শি ক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের গুলি চালানোর দাবিটি ভুয়া

বাঁশখালিতে বন্যায় বসতি ডুবে যাওয়ার দৃশ্য দাবি করে এআই-সৃষ্ট ছবি প্রচার
বিভ্রান্তিকর
১৩ জুলাই ২০২৬

বাঁশখালিতে বন্যায় বসতি ডুবে যাওয়ার দৃশ্য দাবি করে এআই-সৃষ্ট ছবি প্রচার

লাশ ভাসিয়ে দেওয়ার পুরোনো ভিডিওকে চট্টগ্রামের চলমান বন্যা পরিস্থিতির বলে প্রচার
বিভ্রান্তিকর
১২ জুলাই ২০২৬

লাশ ভাসিয়ে দেওয়ার পুরোনো ভিডিওকে চট্টগ্রামের চলমান বন্যা পরিস্থিতির বলে প্রচার

প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যার দৃশ্যটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
বিভ্রান্তিকর
১২ জুলাই ২০২৬

প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যার দৃশ্যটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



গোপালগঞ্জের নয়, শিশু জাবির জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ

ফ্যাক্ট চেক

গোপালগঞ্জের নয়, শিশু জাবির জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ

১৮ জুলাই ২০২৫

<p>গোপালগঞ্জের নয়, শিশু জাবির জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ</p>

গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় ৫ জন নিহত হন। এরই প্রেক্ষিতে, ওইদিন গোপালগঞ্জে পুলিশের গুলিতে জাবির নামে এক শিশু নিহত হয়েছে দাবিতে এক শিশুর ছবিসহ একটি ফটোকার্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হচ্ছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে পুলিশের গুলিতে শিশু জাবির নিহত হয়নি। প্রকৃতপক্ষে, শিশুটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।


ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের ওয়েবসাইটে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া শিশুর ছবির মিল পাওয়া যায়।


প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের দিন কবির হোসেন ও রোকেয়া বেগম দম্পতি রাজধানীর উত্তরায় তাদের তিন সন্তান জুবাইনা কবির নেহা, জুবায়ের মাহতাব আবদুল্লাহ ও জাবির ইব্রাহিমকে সঙ্গে নিয়ে বিজয়োল্লাসে যোগ দিতে যান। সেই সময়ে পুলিশের গুলিতে জাবির ইব্রাহিম শহীদ হন।


তাছাড়া, দৈনিক ইত্তেফাকের ওয়েবসাইটে আজ (১৮ জুলাই) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫ জন নিহত হয়েছেন। তারা হচ্ছেন, সোহেল মোল্লা (৩৫), রমজান মুন্সী (৩২), দীপ্ত সাহা (২৫), ইমন তালুকদার (১৭) ও রমজান কাজী (১৮)।


অর্থাৎ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের দিন পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া জাবির ইব্রাহিম গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিহত হয়েছে দাবিতে ছড়ানো হচ্ছে; যা মিথ্যা।