| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার

১ এপ্রিল ২০২৬


ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার
মিথ্যা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একজন নারীর মরদেহের ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবিটি বাংলাদেশের কোনো ঘটনা নয়; বরং এটি ভারতের আসাম রাজ্যের এক নারীর মৃত্যুর ঘটনার ছবি।


ছবিটির বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Konmani Rajbongshi Konmani’ নামক একটি ভারতীয় ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ছবিটিসহ একটি পোস্ট দেখতে পাওয়া যায়।


পোস্টটি থেকে জানা যায়, এটি ভারতের আসামের ধেমাজি জেলার গাইনদী রেলওয়ে ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকার ঘটনা। সেখানে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। পোস্টে সংযুক্ত আধার কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, মৃত নারীর নাম জ্যোতিকা কলিতা এবং তিনি ধেমাজি জেলার শিলালি মাজ গাঁও (জামুগুরি পঞ্চলি, ১ নং বিষ্ণুপুর) -এলাকার বাসিন্দা।


এ বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘News18 Assam’ এর ওয়েবসাইটে গত ১০ অক্টোবর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জ্যোতিকা কলিতা মেকআপ আর্টিস্টের প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) তিনি বাড়ি থেকে ধেমাজি শহরে গিয়ে একটি পার্লারে প্রশিক্ষণ নেন এবং বিকেল ৪টার দিকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরেরদিন ধেমাজি শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে গাইনদী রেলওয়ে ব্রিজের কাছ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 



অর্থাৎ, ভারতের আসামে নারীর মৃত্যুর পুরোনো ঘটনাকে বাংলাদেশে ধর্ষণের পর হত্যা- দাবি করে প্রচার করা হয়েছে; যা মিথ্যা।





Topics:



নারীশিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার ভিডিওটি পুরোনো
বিভ্রান্তিকর
১৪ মে ২০২৬

নারীশিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার ভিডিওটি পুরোনো

যুগান্তরের ফটোকার্ড বিকৃত করে বাংলাদেশকে জাড়িয়ে ট্রাম্পের নামে ভুয়া তথ্য প্রচার
মিথ্যা
১৪ মে ২০২৬

যুগান্তরের ফটোকার্ড বিকৃত করে বাংলাদেশকে জাড়িয়ে ট্রাম্পের নামে ভুয়া তথ্য প্রচার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জড়িয়ে ড. রেজা কিবরিয়ার নামে বিকৃত বক্তব্য প্রচার
বিকৃত
১৪ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জড়িয়ে ড. রেজা কিবরিয়ার নামে বিকৃত বক্তব্য প্রচার

মুন্নী সাহা আটক হওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৪ সালের
বিভ্রান্তিকর
১৩ মে ২০২৬

মুন্নী সাহা আটক হওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৪ সালের

ব্যারিস্টার সুমন জামিন পেয়েছেন, মুক্তি নয়
মিথ্যা
১২ মে ২০২৬

ব্যারিস্টার সুমন জামিন পেয়েছেন, মুক্তি নয়

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার

ফ্যাক্ট চেক

ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার

১ এপ্রিল ২০২৬

<p><span style="font-size: 24px;">ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার</span><br /></p>

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একজন নারীর মরদেহের ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবিটি বাংলাদেশের কোনো ঘটনা নয়; বরং এটি ভারতের আসাম রাজ্যের এক নারীর মৃত্যুর ঘটনার ছবি।


ছবিটির বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Konmani Rajbongshi Konmani’ নামক একটি ভারতীয় ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ছবিটিসহ একটি পোস্ট দেখতে পাওয়া যায়।


পোস্টটি থেকে জানা যায়, এটি ভারতের আসামের ধেমাজি জেলার গাইনদী রেলওয়ে ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকার ঘটনা। সেখানে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। পোস্টে সংযুক্ত আধার কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, মৃত নারীর নাম জ্যোতিকা কলিতা এবং তিনি ধেমাজি জেলার শিলালি মাজ গাঁও (জামুগুরি পঞ্চলি, ১ নং বিষ্ণুপুর) -এলাকার বাসিন্দা।


এ বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘News18 Assam’ এর ওয়েবসাইটে গত ১০ অক্টোবর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জ্যোতিকা কলিতা মেকআপ আর্টিস্টের প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) তিনি বাড়ি থেকে ধেমাজি শহরে গিয়ে একটি পার্লারে প্রশিক্ষণ নেন এবং বিকেল ৪টার দিকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরেরদিন ধেমাজি শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে গাইনদী রেলওয়ে ব্রিজের কাছ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 



অর্থাৎ, ভারতের আসামে নারীর মৃত্যুর পুরোনো ঘটনাকে বাংলাদেশে ধর্ষণের পর হত্যা- দাবি করে প্রচার করা হয়েছে; যা মিথ্যা।