| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়

চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার

২২ জুন ২০২৬


চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার
মিথ্যা

হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারণে বাংলাদেশে এক ব্যক্তিকে নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর ওপরে পাথর ছুঁড়ে মারা হচ্ছে – এমন দাবি করে ভারতীয় এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও ছড়িয়েছে, অথচ অভিযুক্তকে মারধর করা হয়েছে চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে। 


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ঘটনার সঙ্গে কোনো সাম্প্রদায়িক বা ধর্মীয় বিষয় জড়িত নয়। গত ১৬ জুন ২০২৬ ঢাকার যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড় এলাকায় মোবাইল চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক ও মারধর করলে এক পর্যায়ে তিনি নর্দমায় পড়ে যান। এ ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সংঘাত আখ্যা দিয়ে ছড়ানোর চেষ্টা চলছে।


এ বিষয় অনুসন্ধানে গত ১৬ জুন ‘দশদিক-Doshdik’ নামের ফেসবুক পেজ এবং ‘Anamul Hasan’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এবং ১৭ জুনে ‘Qawmi Voice 24’, ‘BEC’ নামের পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে একই দৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। 


ক্যাপশনে বলা হয়েছে, গত ১৬ জুন যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড় এলাকায় মোবাইল চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক ও মারধর করে। পরে তিনি এক পর্যায়ে নর্দমায় পড়ে যান। 

এ বিষয়ে আরও জানতে বাংলাফ্যাক্টের পক্ষ থেকে ‘দশদিক-Doshdik’ নামে ফেসবুক পেজে থাকা নাম্বারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে। 


পেজটির পরিচালক হুসাইন মুহাম্মদ আরমান বলেন, ‘এটি যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড়ে গত ১৬ জুনের ঘটনা। এক ব্যক্তি ফোন চুরি করে পালানোর সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন। এক পর্যায়ে তিনি নর্দমায় পড়ে যান। তখন তাঁকে নামমাত্র নর্দমা পরিষ্কার করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে ধর্মীয় কোনো বিষয় নেই।’ 


অর্থাৎ, হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারণে দেশে এক ব্যক্তিকে নর্দমায় ফেলে নির্যাতন করা হয়েছে – এমন দাবি করে ছড়ানো তথ্যটি মিথ্যা।





Topics:

banglafact

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ইসলামপন্থীদের হামলার দাবিটি মিথ্যা;
ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের আসামের
৬ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ইসলামপন্থীদের হামলার দাবিটি মিথ্যা; ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের আসামের

পথনাটকে অভিনয়ের দৃশ্যকে দেশে হিন্দু তরুণী মুখ বেঁধে নির্যাতনের দাবি করে প্রচার
মিথ্যা
৩০ জুন ২০২৬

পথনাটকে অভিনয়ের দৃশ্যকে দেশে হিন্দু তরুণী মুখ বেঁধে নির্যাতনের দাবি করে প্রচার

পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডকে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৪ জুন ২০২৬

পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডকে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে অপপ্রচার

ধর্ম নয়, চুরির অভিযোগে মারধর
মিথ্যা
২৩ জুন ২০২৬

ধর্ম নয়, চুরির অভিযোগে মারধর

হিন্দু হওয়ার কারণে নয়,
ছাগল বাঁধা নিয়ে বিবাদ, মৃত্যু
মিথ্যা
১০ জুন ২০২৬

হিন্দু হওয়ার কারণে নয়, ছাগল বাঁধা নিয়ে বিবাদ, মৃত্যু

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার

ফ্যাক্ট চেক

চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার

২২ জুন ২০২৬

<p>চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার
<br /></p>

হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারণে বাংলাদেশে এক ব্যক্তিকে নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর ওপরে পাথর ছুঁড়ে মারা হচ্ছে – এমন দাবি করে ভারতীয় এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও ছড়িয়েছে, অথচ অভিযুক্তকে মারধর করা হয়েছে চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে। 


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ঘটনার সঙ্গে কোনো সাম্প্রদায়িক বা ধর্মীয় বিষয় জড়িত নয়। গত ১৬ জুন ২০২৬ ঢাকার যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড় এলাকায় মোবাইল চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক ও মারধর করলে এক পর্যায়ে তিনি নর্দমায় পড়ে যান। এ ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সংঘাত আখ্যা দিয়ে ছড়ানোর চেষ্টা চলছে।


এ বিষয় অনুসন্ধানে গত ১৬ জুন ‘দশদিক-Doshdik’ নামের ফেসবুক পেজ এবং ‘Anamul Hasan’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এবং ১৭ জুনে ‘Qawmi Voice 24’, ‘BEC’ নামের পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে একই দৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। 


ক্যাপশনে বলা হয়েছে, গত ১৬ জুন যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড় এলাকায় মোবাইল চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক ও মারধর করে। পরে তিনি এক পর্যায়ে নর্দমায় পড়ে যান। 

এ বিষয়ে আরও জানতে বাংলাফ্যাক্টের পক্ষ থেকে ‘দশদিক-Doshdik’ নামে ফেসবুক পেজে থাকা নাম্বারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে। 


পেজটির পরিচালক হুসাইন মুহাম্মদ আরমান বলেন, ‘এটি যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড়ে গত ১৬ জুনের ঘটনা। এক ব্যক্তি ফোন চুরি করে পালানোর সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন। এক পর্যায়ে তিনি নর্দমায় পড়ে যান। তখন তাঁকে নামমাত্র নর্দমা পরিষ্কার করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে ধর্মীয় কোনো বিষয় নেই।’ 


অর্থাৎ, হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারণে দেশে এক ব্যক্তিকে নর্দমায় ফেলে নির্যাতন করা হয়েছে – এমন দাবি করে ছড়ানো তথ্যটি মিথ্যা।