| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়
ধর্ম নয়, চুরির অভিযোগে মারধর
২৩ জুন ২০২৬
বাংলাদেশে এক খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী তরুণী গলায় ধর্মীয় ক্রস লকেট পরার কারণে তাকে মারধর ও যৌন হয়রানি করে হিজাব পরতে বাধ্য করা হয়েছে – এমন দাবি করে ভারতীয় এক্স অ্যকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এই ভিডিওর তরুণী খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী নন। বরঞ্চ তিনি মুসলিম। তাছাড়া, গলায় ধর্মীয় ক্রস লকেট পরার কারণে তাঁকে মারধর ও যৌন হয়রানি করা হয়নি। ২০২৪ সালের অক্টোবরে চুরি করার অভিযোগে তাঁকে মারধর করা হয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
এ বিষয় অনুসন্ধানে Mofizur Rahman ও Mustafa Kamal নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর প্রকাশিত একই ভিডিও পাওয়া যায়। ক্যাপশন থেকে জানা যায়, কোহিনূর নামে এক টিকটকার রামু সিটি পার্কের ভিতরে মেবাইল চুরি করার পর কক্সবাজার সিটি কলেজের সামনে ধরা পড়েন।
সে বছরে বিভিন্ন সময়ে কোহিনূরের চুরি করে জনগণের কাছে ধরা পরার সত্যতা একাধিক ফেসবুক পেজের পোস্টে (১, ২, ৩) পাওয়া যায়।
এই বিষয়ে জানতে বাংলাফ্যাক্টের পক্ষ থেকে দৈনিক যুগান্তরের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি জসীম উদ্দীনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তাঁকে হোয়াটস অ্যাপে ভিডিওটি শেয়ার করে জিজ্ঞাসা করলে জানান, ‘কোহিনূর মুসলিম এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী। তাঁর নামে চুরির অভিযোগ আছে।’
অর্থাৎ, বাংলাদেশে এক খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী তরুণী গলায় ধর্মীয় ক্রস লকেট পরার কারণে মারধর ও যৌন হয়রানি এবং হিজাব পরতে বাধ্য করা হয়েছে – এমন দাবিটি মিথ্যা। আদতে ভিডিওর নারী মুসলিম। ২০২৪ সালে তাঁকে চুরির অভিযোগে মারধরের দৃশ্য এটি।
Topics:
banglafact
বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ইসলামপন্থীদের হামলার দাবিটি মিথ্যা;
ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের আসামের
পথনাটকে অভিনয়ের দৃশ্যকে দেশে হিন্দু তরুণী মুখ বেঁধে নির্যাতনের দাবি করে প্রচার
পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডকে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে অপপ্রচার
চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার
হিন্দু হওয়ার কারণে নয়,
ছাগল বাঁধা নিয়ে বিবাদ, মৃত্যু
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
পাকিস্তানে মন্দির ভাঙার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদশের বলে প্রচার
শর্টসার্কিট থেকে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে মন্দিরে সাম্প্রদায়িক হামলা দাবিতে অপপ্রচার
ব্যক্তিগত বিবাদের জেরে নিহতকে সাম্প্রদায়িক শিকার বলে প্রচার
ফ্যাক্ট চেক
ধর্ম নয়, চুরির অভিযোগে মারধর
২৩ জুন ২০২৬
বাংলাদেশে এক খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী তরুণী গলায় ধর্মীয় ক্রস লকেট পরার কারণে তাকে মারধর ও যৌন হয়রানি করে হিজাব পরতে বাধ্য করা হয়েছে – এমন দাবি করে ভারতীয় এক্স অ্যকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এই ভিডিওর তরুণী খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী নন। বরঞ্চ তিনি মুসলিম। তাছাড়া, গলায় ধর্মীয় ক্রস লকেট পরার কারণে তাঁকে মারধর ও যৌন হয়রানি করা হয়নি। ২০২৪ সালের অক্টোবরে চুরি করার অভিযোগে তাঁকে মারধর করা হয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
এ বিষয় অনুসন্ধানে Mofizur Rahman ও Mustafa Kamal নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর প্রকাশিত একই ভিডিও পাওয়া যায়। ক্যাপশন থেকে জানা যায়, কোহিনূর নামে এক টিকটকার রামু সিটি পার্কের ভিতরে মেবাইল চুরি করার পর কক্সবাজার সিটি কলেজের সামনে ধরা পড়েন।
সে বছরে বিভিন্ন সময়ে কোহিনূরের চুরি করে জনগণের কাছে ধরা পরার সত্যতা একাধিক ফেসবুক পেজের পোস্টে (১, ২, ৩) পাওয়া যায়।
এই বিষয়ে জানতে বাংলাফ্যাক্টের পক্ষ থেকে দৈনিক যুগান্তরের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি জসীম উদ্দীনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তাঁকে হোয়াটস অ্যাপে ভিডিওটি শেয়ার করে জিজ্ঞাসা করলে জানান, ‘কোহিনূর মুসলিম এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী। তাঁর নামে চুরির অভিযোগ আছে।’
অর্থাৎ, বাংলাদেশে এক খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী তরুণী গলায় ধর্মীয় ক্রস লকেট পরার কারণে মারধর ও যৌন হয়রানি এবং হিজাব পরতে বাধ্য করা হয়েছে – এমন দাবিটি মিথ্যা। আদতে ভিডিওর নারী মুসলিম। ২০২৪ সালে তাঁকে চুরির অভিযোগে মারধরের দৃশ্য এটি।