| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়
পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডকে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে অপপ্রচার
২৪ জুন ২০২৬
পটুয়াখালী শহরে ইসলামপন্থীরা সংখ্যালঘু হিন্দুদের ৫টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দাবিতে এক নারীর আহাজারির ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ ছড়ানো হয়েছে।
‘@HinduVoice_in’ নামক এক্স হ্যান্ডেল থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে আরও দাবি করা হয়, বাংলাদেশের সরকার ও প্রশাসন কোনো সহায়তা না করায় ভুক্তভোগী হিন্দু পরিবারগুলো অসহায়ভাবে কান্নাকাটি করছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, পটুয়াখালীতে ইসলামপন্থীরা হিন্দুদের ৫টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি পটুয়াখালীতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ আগুন লেগে কয়েকটি বাড়ি ও দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনা। ঘটনাটির সাথে ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক কোনো বিষয়ের সম্পর্ক নেই।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে, ‘Ekhon Bangla Tv’ ফেসবুক পেজে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ “আমার সার্টিফিকেট সব পুরে শেষ এখন আমরা কি করমু,পটুয়াখালী পাঁচটি বসতবাড়িসহ দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুরে ছাই।” ক্যাপশনে প্রচার করতে দেখা যায়।
ভিডিওটিতে ভুক্তভোগী নারীকে বলতে শোনা যায়, পাশ্ববর্তী এক পাগলের ঘর থেকে আগুন লেগেছে।
ঘটনাটির বিষয়ে সেই সময় যুগান্তর ও বাংলা টিবিউনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, “পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার দেওয়ান মো. রাজিব বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।”
অনুসন্ধানে এই ঘটনার সাথে ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবি মিথ্যা।
Topics:
ধর্ম নয়, চুরির অভিযোগে মারধর
চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার
হিন্দু হওয়ার কারণে নয়,
ছাগল বাঁধা নিয়ে বিবাদ, মৃত্যু
ব্যক্তিগত বিবাদের জেরে নিহতকে সাম্প্রদায়িক শিকার বলে প্রচার
হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
মাজার ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের নাম জড়িয়ে ‘আমার দেশ’ এর লোগো সম্বলিত ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার
জুতার মালা পরা মুসলিম ব্যক্তিকে হিন্দু বলে প্রচার ভারতীয় এক্স অ্যাকাউন্টে
শরৎ চক্রবর্তী মণি হত্যাকাণ্ড
এবার ‘জিজিয়া কর না দেয়া’কে হত্যার কারণ হিসেবে অপপ্রচার করা হচ্ছে
হবিগঞ্জে কমল দাসের মৃতদেহ উদ্ধার: ভারতীয় এক্স হ্যান্ডেল থেকে 'মুসলিমরা মব সৃষ্টি করে হত্যা' করেছে বলে ভুয়া তথ্য প্রচার
ফ্যাক্ট চেক
পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডকে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে অপপ্রচার
২৪ জুন ২০২৬
পটুয়াখালী শহরে ইসলামপন্থীরা সংখ্যালঘু হিন্দুদের ৫টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দাবিতে এক নারীর আহাজারির ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ ছড়ানো হয়েছে।
‘@HinduVoice_in’ নামক এক্স হ্যান্ডেল থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে আরও দাবি করা হয়, বাংলাদেশের সরকার ও প্রশাসন কোনো সহায়তা না করায় ভুক্তভোগী হিন্দু পরিবারগুলো অসহায়ভাবে কান্নাকাটি করছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, পটুয়াখালীতে ইসলামপন্থীরা হিন্দুদের ৫টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি পটুয়াখালীতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ আগুন লেগে কয়েকটি বাড়ি ও দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনা। ঘটনাটির সাথে ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক কোনো বিষয়ের সম্পর্ক নেই।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে, ‘Ekhon Bangla Tv’ ফেসবুক পেজে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ “আমার সার্টিফিকেট সব পুরে শেষ এখন আমরা কি করমু,পটুয়াখালী পাঁচটি বসতবাড়িসহ দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুরে ছাই।” ক্যাপশনে প্রচার করতে দেখা যায়।
ভিডিওটিতে ভুক্তভোগী নারীকে বলতে শোনা যায়, পাশ্ববর্তী এক পাগলের ঘর থেকে আগুন লেগেছে।
ঘটনাটির বিষয়ে সেই সময় যুগান্তর ও বাংলা টিবিউনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, “পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার দেওয়ান মো. রাজিব বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।”
অনুসন্ধানে এই ঘটনার সাথে ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবি মিথ্যা।